corona lockdown shibchar
সারাদেশে ১৪ দিন সর্বাত্মক শাটডাউনের সুপারিশ 

করোনার ডেলটা প্রজাতির ভাইরাসের সামাজিক সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশে সর্বাত্মকভাবে ১৪ দিনের কঠোর শাটডাউনের সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক…

অনলাইন শপিংয়ের জন্য নতুন ফিচার আনছে ফেসবুক 

শিগগিরই ই-কমার্স ও অনলাইন শপিংয়ের জন্য নতুন ফিচার নিয়ে আসবে ফেসবুক। গতকাল নিজের ওয়ালে দেয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত…

ব্রাজিলের বিতর্কিত গোলে রাগে ফুসছে কলম্বিয়া 

কোপা আমেরিকায় জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে স্বাগতিক ব্রাজিল। গতকাল বুধবার (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত কোপা আমেরিকায় ব্রাজিল ২-১…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

বিশ্ব

আফগান যুদ্ধে মার্কিনিদের চেয়ে ব্রিটিশদের জান-মালের দ্বিগুণ ক্ষতি 

আফগান যুদ্ধে মার্কিনিদের চেয়ে ব্রিটিশদের জান-মালের দ্বিগুণ ক্ষতি

আফগানিস্তান যুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি ব্রিটিশ এবং কানাডিয়ান সেনা নিহত হয়েছে। গত ২০ বছর যুদ্ধ চলাকালীন নাটোর মিত্ররা যে ত্যাগ স্বীকার করেছে তা নিয়ে করা এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। আজ বুধবার (১২মে) ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কাস্টস অফ ওয়ার প্রকল্পের’ প্রকাশিত সমীক্ষায় এসব দেখা গেছে।

ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ান জানায়, জিডিপির শতকরা হিসাবে অর্থনৈতিক ও মানবিক সহায়তার আকারে যুক্তরাজ্য আফগানিস্তানকে আমেরিকার চেয়েও বেশি দিয়েছে।

যদিও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সহায়তা বাহিনীর (এসএফ) অন্যান্য সদস্যদের তুলনায় মার্কিনরা সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রাণহানির শিকার হয়েছে। ২০০১ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ২৩১৬ জন আমেরিকান সেনা নিহত হয়েছিল। তবে গবেষণার সময়কালে আফগানিস্তানে পাঠানো কানাডিয়ান এবং ব্রিটিশ সৈন্যদের মারা যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি ছিল। এই যুদ্ধ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০১ সালে শুরু করলেও ব্রিটেন যোগ দেয় ২০০৬ সালে।

যুদ্ধের ব্যয় প্রতিবেদনে দেখা য়ায়, মার্কিন ক্ষয়ক্ষতি ছিল এর বিশাল সামরিক উপস্থিতির পরও ২.৩%। যুক্তরাজ্যর ৪৫৫ জন প্রাণ হারায়, যার হার ৪.৭ এবং ১৫৮ জন কানাডিয়ান সেনা নিহত হয় ও তাদের হার ৫.৪%।

ফরাসি সেনা মৃত্যুর হার ২.১% এবং ইতালির ১.২% মৃত্যু।

আমেরিকা যে সবসময় দাবি করে, আফগানিস্তানে ন্যাটো বাহিনীর পাশে দাঁড়িয়েছে তারা এবং তাদের অনেকে বলেন ‘আমি আমেরিকান যুদ্ধ দেখেছি’। কিন্তু মার্কিদের এই দাবিকে কৌতুক বলে সমীক্ষায় উল্লেখ করা হয়।

মেরিন ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক অধ্যাপক জেসন ডেভিডসন বলেছেন, আফগানিস্তানে মিত্ররা যে ত্যাগ স্বীকার করেছে তা পুরোপুরি বুঝতে পারে না এবং কার করে না আমেরিকানরা।’

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গোষ্ঠী অ্যাকশন অন আর্মড ভায়োলেন্সের গবেষণায় ডিসেম্বরে এই প্রতিবেদনের প্রতিধ্বনি প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে দেখা গেছে, ইরাক ও আফগানিস্তানের সামগ্রিক “সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে” আমেরিকান প্রতিপক্ষের তুলনায় ব্রিটিশ সৈন্যদের ১২% বেশি মারা যাওয়ার খবর রয়েছে।

এই সমীক্ষার সম্পাদক আয়েন ওভারটন বলেছেন, এটি স্পষ্ট যে আফগানিস্তান যুক্তরাজ্যের সেনাদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য বোঝা হিসাবে প্রমাণিত হয়েছে। যুক্তরাজ্যের সামরিক বাহিনী সেখানে গত দুই দশকে মোট মৃত্যুর তিন চতুর্থাংশ ভোগ করেছে।

যুদ্ধের ব্যয়ের প্রতিবেদনের আরেকটি আকর্ষণীয় অনুসন্ধান হল জার্মানি ও কানাডার সাথে ০.১৪% পেছনে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে র(০.১৫%) তুলনায় জিডিপির (০.১৬%) যুক্তরাজ্য আফগানিস্তানের বৈদেশিক সহায়তায় কিছুটা বেশি ব্যয় করেছে।

আফগানিস্তানে ২০ বছরের সংঘাতের পরে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার জোট যখন সেনা প্রত্যাহারের শেষ পর্যায়ে রয়েছে, তখন দীর্ঘ এই যুদ্ধের ব্যয় নিয়ে ক্রমবর্ধমান তদন্ত ও কাটাছেড়া চলছে।

এই যুদ্ধে প্রায় ৫০,০০০ আফগান নাগরিক নিহত হয়েছে। ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে মার্কিন ও আফগান বিমান হামলার ফলে যে মৃত্যু হয়েছে তার ৪০% শিশু ও বেসামরিক নাগরিক।



Related posts