যেকোনো মুহূর্তে সারাদেশ ‘শাটডাউনের’ ঘোষণা: প্রতিমন্ত্রী 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ১৪ দিনের পূর্ণ ‘শাটডাউনের’ সুপারিশ সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা…

corona lockdown shibchar
সারাদেশে ১৪ দিন সর্বাত্মক শাটডাউনের সুপারিশ 

করোনার ডেলটা প্রজাতির ভাইরাসের সামাজিক সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশে সর্বাত্মকভাবে ১৪ দিনের কঠোর শাটডাউনের সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক…

অনলাইন শপিংয়ের জন্য নতুন ফিচার আনছে ফেসবুক 

শিগগিরই ই-কমার্স ও অনলাইন শপিংয়ের জন্য নতুন ফিচার নিয়ে আসবে ফেসবুক। গতকাল নিজের ওয়ালে দেয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

খেলা

আবারও বুকে ব্যাথা নিয়ে হাসপাতালে সৌরভ 

আবারও বুকে ব্যাথা নিয়ে হাসপাতালে সৌরভ

আবারও বুকে ব্যাথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন সৌরভ গাঙ্গুলি। জরুরী ভিত্তিতে তাকে ইএম বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সৌরভের পারিবারিক সূত্র থেকে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত থেকেই বুকে ব্যথা অনুভব করেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট। বুধবার দুপুরে ব্যথা বাড়লে তাকে ঝুঁকি এড়াতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো জানায় বুধবার গ্রিন করিডর করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সৌরভকে। গাড়ি থেকে নেমে নিজেই হেঁটে হাসপাতালে ঢোকেন তিনি। সেখানে চিকিৎসক আফতাব খান, সপ্তর্ষি বসু এবং সরোজ মণ্ডলের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন ভারতের সাবেক এই অধিনায়ক। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানা গেছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য তাকে নেওয়া হয়েছে ক্যাথ ল্যাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তার ইকো কার্ডিয়োগ্রাম করা হয়েছে। অ্যাঞ্জিয়োগ্রামও করা হচ্ছে। এরপর রিপোর্ট দেখেই পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।

উল্লেখ্য গত ২ জানুয়ারি নিজের বাড়িতে জিম করার করার সময় বুকে ব্যথা নিয়ে মাথা ঘুরে পড়ে যান সৌরভ। একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে জানা যায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। এরপর প্রায় এক সপ্তাহ হাসপাতালে ছিলেন তিনি। এরপর তার বুকে একটি স্টেন্ট বসানো হয়। আরও দু’টি স্টেন্ট বসানোর কথা রয়েছে।

সে সময় ডাক্তারি পরীক্ষায় জানা যায়, হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী তিনটি ধমনীতে ‘ব্লকেজ’ রয়েছে সৌরভের। প্রথমে অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করা হয় তার। তার পর ধমনীর ‘ব্লকেজ’ সরাতে বসানো হয় স্টেন্ট।

পরে ৭ জানুয়ারি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যান সৌরভ। তার পর দিন কুড়ি কাটতে না কাটতেই ফের অসুস্থ হয়ে পড়লেন মহারাজ।

ঠিক কী কারণে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন সৌরভ সেই সম্পর্কে নানা তথ্য উঠে এসেছে। জানা গেছে, বয়স প্রায় ৫০ হলেও, শেষ ৫ বছরে কোনও ডাক্তারি পরীক্ষাই করাননি তিনি। এরসঙ্গে যোগ হয়েছে কাজের চাপ। দুইয়ে মিলেই ধকল সইতে পারেনি তার শরীর।



Related posts