বিবিসির ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় অর্ধেকই আফগান 

২০২১ সালে বিশ্বে ১০০ অনুপ্রেরণাদায়ী ও প্রভাবশালী নারীর তালিকা প্রকাশ করেছে বিবিসি। সমাজ, সংস্কৃতি ও বিশ্বকে নতুন করে সাজাতে যে…

উমরাহ থেকে ফিরে আধা মিনিটের জন্য হলেও প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করতে চান মাহি 

চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপ ভাইরালের পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তথ্য প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ডা. মুরাদ হাসান…

টিউলিপ সিদ্দিক এখন ব্রিটেনের শ্যাডো ইকোনমিক সেক্রেটারি 

যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির নতুন ছায়া মন্ত্রিসভার ইকোনমিক সেক্রেটারির দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ আইনপ্রণেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

ওপার বাংলা

আশঙ্কা উড়িয়ে নিজের আসনে জিতলেন মমতাই 

আশঙ্কা উড়িয়ে নিজের আসনে জিতলেন মমতাই

শেষমেশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখেই হাসি ফুটল। শঙ্কা উড়িয়ে নিজের আসনে জিতলেন মমতাই। তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে বিজেপিতে যাওয়া শুভেন্দু অধিকারীকে পরাজিত করেন তিনি। সংবাদ সংস্থা এএনআই জানাচ্ছে, ১২০১ ভোটে নন্দীগ্রামে জিতেছেন মমতা।

এবারের নির্বাচনের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা লড়াই করেছিলেন নন্দীগ্রাম থেকে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতাসীন তৃণমূল দলের এই নেত্রী ১০ বছর ধরে রাজ্যের ক্ষমতা ধরে রেখেছেন।

গত বছর ডিসেম্বরের মাঝামাঝি বিজেপি-তে যোগ দেন শুভেন্দু। তার পর লাগাতার মমতা ও তার ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে যান তিনি। সেই তুলনায় তৃণমূল অনেকটাই স্তিমিত ছিল। তবে অধিকারীদের সঙ্গে সম্পর্কের শেষ পেরেক পোঁতেন মমতাই। নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে ঘোষণা করেন, সেখান থেকেই ভোটে লড়বেন তিনি।

তার পরই নীলবাড়ির লড়াইয়ে বাংলার রাজনীতির যাবতীয় সমীকরণ উল্টে যায়। ১০ মার্চ আনুষ্ঠাানিক ভাবে নন্দীগ্রামের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন মমতা। ওই দিনই নন্দীগ্রামে আক্রান্ত হন মমতা। পায়ে আঘাত পান। তা নিয়ে তৃণমূল এবং বিজেপি-র মধ্যে তরজা চরমে ওঠে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে বিশেষ সতর্কতা জারি রয়েছে কলকাতা শহরে। তাই কালীঘাটে মমতার বাড়ির কাছাকাছি কাউকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। সমর্থকদের ভিড় জমতে শুরু করলেও কালীঘাট রোডের সামনেই আটকে দেওয়া হয় সবাকে। সেখানেই ঢাকঢোল বাজিয়ে উৎসবে শামিল হন তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকরা।

পশ্চিমবঙ্গে দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা জানাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ২০৭টি কেন্দ্রে এগিয়ে, বিজেপি ৮১টি কেন্দ্রে এবং বাম জোট মাত্র দুইটি কেন্দ্রে এগিয়ে। এখনো কয়েকটি রাউন্ডের গণনা বাকি। তবে প্রায় অর্ধেকের বেশি রাউন্ডের গণনা হয়ে গেছে। নাটকীয় কোনো বদল না হলে তৃণমূল কংগ্রেস আবার সরকার গঠন করতে চলেছে।

পত্রিকাটি আরও জানায়, তৃণমূল প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ ভোট পেয়েছে। বিজেপি পেয়েছে ৩৬ শতাংশ। কংগ্রেস আড়াই ও সিপিএম সাড়ে চার শতাংশ ভোট পেয়েছে।



Related posts