এবার করোনার কবলে দিশা পাটানির পরিবার 

এবার করোনার কবলে পড়েছে বলিউড অভিনেত্রী দিশা পাটানির পরিবার। বাঘি টু সিনেমার নায়িকার বাবা জগদীশ সিং পাটানির কোভিড রিপোর্ট পজেটিভ…

ভারতে হাসপাতালে আগুন, ৮ করোনা রোগীর মৃত্যু 

ভারতের আহমেদাবাদে একটি করোনা হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার…

যে ৬টি সত্য পুরুষেরা সঙ্গীর কাছে লুকিয়ে থাকে! 

একটি সম্পর্কে নারী এবং পরুষের মাঝে অনেককিছু হয়ে থাকে। এরমধ্যে বেশিরভাগ বিষয় ভালোবাসার মাধ্যমে নির্ধারিত হয় এবং যেটি দুজনের সম্পর্ক…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

লাইফ

এই ৫টি কথা শিশুদের কখনই বলবেন না 

এই ৫টি কথা শিশুদের কখনই বলবেন না

পিতামাতা হিসেবে আমরা সকলেই জানি যে ধৈর্য শিশুর সুস্থ লালন-পালনের মূল চাবিকাঠি। তবে কখনো কখনো সামাজিক প্রত্যাশা, কাজের চাপ এবং বাড়ির কাজ-সব মিলে পিতামাতার মনের শান্তি নষ্ট করে দেয়। এসব ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে আমরা শিশুদের এমনকিছু বলে বসি যা বলা উচিত নয়। হঠাৎ করে বলে বসা এসব কথা আমসাদের কাছে স্বাভাবিক মনে হলেও যা প্রকৃতপক্ষে শিশুদের মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এ ধরনের ৫টি কথা যা কখনই শিশুদের বলা উচিত নয়। টাইমস অফ ইন্ডিয়া এই বিষয়গুলো তুলে ধরেছে।

তাড়াতাড়ি করো
বেশিরভাগ শিশুই যখন স্কুলে যাওয়ার জন্য তৈরি হয় কিংবা যখন চাপের মধ্যে কোনোকিছু করে তখন তারা তা ধীরে ধীরে করে। কিন্তু আপনার শিশু যত ধীরস্থিরই হোক না কেন তা কোনো বিষয় না, বরং চাপ প্রয়োগ করলে তা শুধু তাদের আরো চাপে ফেলে দেবে। তাদের চিৎকার করে কিছু বললে তা তাদের আরো অপরাধী করে ফেলবে এবং দ্রুত কাজ করার জন্য প্রভাবিত হবে না। এভাবে না বলে বরং আপনি খেলার ছলে বলতে পারেন, ‘দেখি কে আগে দরজার কাছে পৌঁছায়।’ এটি শিশুদের সহযোগিতার গুরুত্ব শেখাতে সহায়তা করবে।

আমাকে একা থাকতে দাও
আমাদের সবারই বিশ্রাম দরকার হয়, কিন্তু শিশুদের তা বলা মানে তারা মনে করে তাদের শাসানো হচ্ছে বা আপনার সাথে তাদের কথা বলার কিছু নেই। আপনার যদি একান্তই ব্যক্তিগত সময়ের প্রয়োজন হয় তাহলে অন্যভাবে তাদের বলুন। যেমন,‌‌ বলতে পারেন যে ”আমার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে এবং তা শেষ করেই তোমার বা তোমাদের সাথে খেলবো।” তবে মনে রাখবেন যে প্রতিজ্ঞা করলেন, মন ভালো হয়ে গেলে তা অবশ্যই পূরণ করুন।

কেন তুমি তোমার ভাই বা বোনের মতো হতে পারো না?
শিশুদের তাদের চারপাশে থাকা অন্য শিশুদের সাথে তুলনা করা মানেই অপরাধ করা। যদিও এটি খুবই স্বাভাবিক ঘটনা কিন্তু আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে যখন এই কথাটি বলবেন তখন যেন শিশু শুনতে না পায়। যখন শিশুধের অন্যের মতো হতে বলা হয় তখন আসলে অসুস্থ প্রতিযোগিতার প্রচার করা হয়। বরং তা না করে শিশুদের প্রশংসা করুন এবং ভালো কিছু করতে বা যা করতে দিয়েছেন তা করতে উৎসাহিত করুন।

কাঁদবে না
শিশুরা যখন ব্যাথা পায় বা বিমর্ষ থাকে তখন কতবার তাদের কাঁদতে বারণ করেছেন? এটি করে আসলে আপনি তাদের অনুভূতিকে বাতিল এবং অবমূল্যায়ণ করছেন। এতে তারা মনে করে যে আপনি তাদের আবেগকে ঝেড়ে ফেলে দিলেন, যা তাদেরকে আরো বিস্ফোরক কিছু প্রকাশের দিকে ধাবিত করে। বরং শিশুরা যদি কাঁদে তাহরে বলুন, ”ঠিক আছে, কিছু হয়নি।”

তোমার বয়সে আমি এটি পারতাম
শিশুদের বিভিন্ন মাত্রায় বিকাশ ঘটে। আপনার সঙ্গে তাদের তুলনা করলে তারা মনে করবে যে তারা আপনাকে হতাশ করেছে। শিশুদের প্রশংসা করা হলো আপনি যা চান তা করতে উৎসাহী করার প্রধান পন্থা।

Related posts