corona lockdown shibchar
সারাদেশে ১৪ দিন সর্বাত্মক শাটডাউনের সুপারিশ 

করোনার ডেলটা প্রজাতির ভাইরাসের সামাজিক সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশে সর্বাত্মকভাবে ১৪ দিনের কঠোর শাটডাউনের সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক…

অনলাইন শপিংয়ের জন্য নতুন ফিচার আনছে ফেসবুক 

শিগগিরই ই-কমার্স ও অনলাইন শপিংয়ের জন্য নতুন ফিচার নিয়ে আসবে ফেসবুক। গতকাল নিজের ওয়ালে দেয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত…

ব্রাজিলের বিতর্কিত গোলে রাগে ফুসছে কলম্বিয়া 

কোপা আমেরিকায় জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে স্বাগতিক ব্রাজিল। গতকাল বুধবার (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত কোপা আমেরিকায় ব্রাজিল ২-১…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

খেলা

‘ঐক্যবদ্ধ ভারত’ নিয়ে টুইট করে ভারতীয়দের ক্ষোভের মুখে শচীন 

‘ঐক্যবদ্ধ ভারত’ নিয়ে টুইট করে ভারতীয়দের ক্ষোভের মুখে শচীন

দিল্লির কৃষক আন্দোলন নিয়ে দিন দিন উত্তেজনা বাড়ছেই ভারতে। আন্দোলন পরিসীমা বেড়ে পৌছে গেছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও। মার্কিন পপ তারকা রিহানা থেকে শুরু করে তরুণ পরিবেশবাদী গ্রেটা থুনবার্গের এমনকি সাবেক পর্ন তারকা মিয়া খলিফাও সমর্থন দিচ্ছেন কৃষকদের। অবশ্য এর বিপক্ষেও আছে মত। দেশি আন্দোলনে বিদেশীদের হস্তক্ষেপ বন্ধে পাল্টা টুইট করেছেন শচীন টেন্ডুলকার, বিরাট কোহলিদের মত তারকা ক্রিকেটাররাও।

নিজের তারকাখ্যাতি কাজে লাগাতে মঙ্গলবার ভারতের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে #‘ইন্ডিয়াএগেনস্টপ্রোপাগান্ডা’ ও ‘ইন্ডিয়াটুগেদার’ ব্যানারে টুইট করেছিলেন শচীন। শুধু তিনিই নন, বলিউডের অক্ষয় কুমার থেকে শুরু করে বলিউড ও ক্রিকেটের অসংখ্য তারকাও কম-বেশি টুইট করেছেন। তবে সব ক্ষোভ যেন গিয়ে পড়েছে শচীনের ঘাড়েই। কেউ কেউ তার শেষ টেস্টের টিকিট ছিঁড়ে পাল্টা টুইট করেছেন, কেউ বা লিটল মাস্টারকে গাল দিয়েছেন বিজেপির দালাল বলে।

টুইটারে শচীনের বক্তব্য ছিলো, ‘ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপোস নয়। বাইরের অপশক্তিরা কেবল দর্শকই থাকবে, অংশ নেবে না। ভারতীয়রাই কেবল ভারতকে জানে, তাই সিদ্ধান্ত নেবে কেবল ভারত। চলুন সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকি। ’

পরে তার এই টুইটটি রিটুইট করেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি।

কিংবদন্তি ব্যাটসম্যানের সেই টুইট ঘিরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৈরি হয়। তার শেষ টেস্টের ছেঁড়া টিকিটের ছবি পোস্ট করে একজন লিখেছেন, ‘আমি আগে শচীনের ভক্ত ছিলাম। আজ থেকে সব শ্রদ্ধা হারালাম।’

আরেকজন লিখছেন, ‘আপনি আগে কথা বললে রিহানাদের বলতে হতো না’। কেউ আবার নরেন্দ্র মোদীর ওয়াশিংটনের ঘটনার সম্পর্কের টুইট তুলে ধরে লিখেছেন, ‘এই সময়ে বাইরের লোক কথা বলেনি অন্য দেশের বিষয়ে’। কোনও ভক্ত আবার শচীনকে জিজ্ঞেস করেছেন, বিজেপির হয়ে কথা বলার জন্য ছেলে অর্জুন টেন্ডুলকার ভারতীয় দলে জায়গা পাবেন কি না?

কেউ কেউ শচীনকে মনে করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন যে, এই কৃষকদের অনেকেই তার খেলা দেখতেন। তার করা প্রতিটা রান তাদের মুখে হাসি এনে দিত। সেই কৃষকদের নিয়ে কথা না বলে নীরব দর্শক হয়ে থাকার জন্যও শচীনকে ব্যঙ্গ করেছেন অনেকে।

মারিয়া শারাপোভা একবার বলেছিলেন যে তিনি শচীনকে চেনেন না। সেই ছবি পোস্ট করে এক নেটাগরিক সমর্থক করেছেন টেনিস তারকাকে। অনেকে লিখেছেন বিজেপির হয়ে ব্যাট করতে নেমেছেন শচীন।

অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রধানমন্ত্রী থাকার সময়ের একটি ঘটনাও তুলে ধরেছেন এইসব বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা। সেই সময় শচীন তার প্রিয় ফেরারি গাড়িটি কিনেছিলেন। কর মৌকুব করে দিয়েছিল ভারত সরকার। সমালোচনাকারীদের মতে বাজপেয়ীর দলের প্রতি সেই অনুগত্যই প্রকাশ করেছেন সচিন। শচীনকে চুপ থাকতেও পরামর্শ দিয়েছেন অনেক ভক্ত। অনেকে তাদেরকে কৃষকদের কথা ভেবে দেখার উপদেশ দিয়েছেন। অনেক শচীন অনুরাগী জানিয়েছেন, এই টুইটের পর আর তারা শচীনভক্ত নন।

শুধু শচীনই নন, কোহলির টুইটের নীচেও দেখা যায় একই ক্ষোভ। ভারত অধিনায়ক লিখেছেন, ‘আসুন আমরা সকলে মতবিরোধের এই মুহুর্তে ঐক্যবদ্ধ থাকি। কৃষকরা আমাদের দেশের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ, এবং আমি নিশ্চিত যে, শান্তি বজায় রাখতে এবং একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সব পক্ষের সঠিক এমন সিদ্ধান্তই নেওয়া হবে’।

বাদ যাননি রোহিত শর্মাও। তিনি লিখেছেন, ‘ভারত যখন এক হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখনই শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। এখন প্রয়োজন সমাধান খুঁজে পাওয়া। আমাদের কৃষকরা আমাদের দেশের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, এবং আমি নিশ্চিত সবাই মিলে সমাধানের জন্য তাদের ভূমিকা পালন করবে’।



Related posts