২ ডোজ টিকা নিয়েও তৃতীয়বার করোনায় আক্রান্ত চিকিৎসক 

একবার, দুইবার নয়, তৃতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ভারতের এক চিকিৎসক। মুম্বাইয়ের ২৬ বছরের এই চিকিৎসক গত ১৩ মাসের মধ্যে তৃতীয়বার…

লকডাউন চলবে 

মহামারী করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে চলমান বিধিনিষেধ (লকডাউন) আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্তই বলবৎ থাকবে এবং আগামী ৭ আগস্ট থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে করোনার…

দায়মুক্তি পাচ্ছেন না অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা 

সরকারি চাকরি আইনে ২০১৮ সালে সরকারি কর্মচারীদের নানাবিধ সুবিধা নিশ্চিত করেছে। তবে এর তিন বছর কাটতে না কাটতেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

বিশ্ব

করোনা বিধিনিষেধ উঠতেই নাচ-গানে মাতোয়ারা ব্রিটেন 

করোনা বিধিনিষেধ উঠতেই নাচ-গানে মাতোয়ারা ব্রিটেন

বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশই যখন করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে দিশেহারা, তখন করোনাভাইরাসের জন্য দেওয়া প্রায় সব বিধিনিষেধ তুলে নিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। আর বিধিনিষেধ উঠতেই আনন্দে আত্মহারা দেশটির নাগরিকরা। লন্ডনবাসী তো আনন্দ উদযাপনের জন্য নাচে-গানে রীতিমতো মাতোয়ারা।

করোনায় মৃত্যুর সংখ্যায় বিশ্বের অন্যতম একটি দেশ ব্রিটেন। তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী করোনা বিধিনিষেধের প্রায় সবগুলোই তুলে নিয়েছেন। বরিস জনসনের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে অনেক ব্রিটিশ নাগরিক এটাকে ‘স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

মহামারী বিশেষজ্ঞদের অনেকে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ায় কিছুটা শঙ্কা প্রকাশ করলেও অনেক তরুণ ব্রিটিশ প্রায় দেড় বছর পর এরকম একটি পার্টিই কামনা করছিলেন।

পূর্ব লন্ডনের হ্যাকনির ওভাল স্পেসে দাঁড়িয়ে ৩১ বছর বয়সী জর্জিয়া পাইক বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলছিলেন, ‘আমাকে এখন যে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে, আমার মনে হচ্ছে কোনো দিনই আমাকে নাচের জন্য এমন অনুমতি দেওয়া হয়নি। আমি নাচতে চাই, আমি লাইভ মিউজিক শুনতে চাই, আমি অন্য লোকের আশেপাশে থেকে কথা বলতে চাই।’

তবে মজাদার উত্সবের পাশাপাশি, নতুন করোনা শনাক্তের তরঙ্গ নিয়ে স্পষ্ট উদ্বেগ রয়েছে। যুক্তরাজ্য জুড়ে এখনো প্রতিদিন ৫০ হাজারেরও বেশি করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে।

লাইভ মিউজিকের প্রত্যাবর্তন উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত একটি ইভেন্টের বাইরে দাঁড়িয়ে গ্যারি কার্টমিল নামের ২৬ বছরের এক তরুণ বলেন, আমি খুব উচ্ছ্বসিত, তবে এর সঙ্গে আসন্ন বিপদের শঙ্কা মিশে আছে।

রয়টার্স জানায়, ক্লাবের ভেতরে অনেককে হাতে হাত রাখতে দেখা যায়। এসময় কেউ কেউ কেবল সংগীতের তালে নাচিয়েছিলেন। অনেকে আবার একেঅপরকে আলিঙ্গন করেছিলেন, কেউ চুম্বনও করেছিলেন। কয়েকজনের মুখে আবার মাস্কও দেখা গেছে।

অন্যান্য সমস্ত ইউরোপীয় দেশের তুলনায় নিজের দেশের জনগণকে দ্রুত ভ্যাকসিন দেওয়ার পরে বরিস জনসনের সরকার বাজি ধরছেন যে, ইংল্যান্ড পুরোপুরি টিকা দেওয়া লোকেরা করোনায় গুরুতর অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা কম। ফলে ইংল্যান্ডে আবারও সব কিছু খুলতে পারে।

ব্রিটিশ সমাজে এই বিধিনিষেধ নিয়ে বিভক্তি দেখা গেছে। কেউ কেউ ভয়ঙ্কর নিয়ম অব্যাহত রাখতে চায়, কারণ তারা ভয় করে ভাইরাস আরও মানুষকে মেরে ফেলবে। তবে অন্যরা বলছে, এটা শান্তির সময়ে ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর বিধিনিষেধ।

তবে ব্রিটেনের ব্যবসায়ীরা নাইটক্লাব, ট্র্যাভেল সংস্থা এবং শিল্পসহ অর্থনীতি আবার খুলতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাছাড়া অনেক ছাত্র, যুবক এবং অভিভাবকরা চূড়ান্তভাবে অত্যন্ত কঠোর নিয়মের অনেকগুলোকে বেশ কিছুদিন ধরেই অবজ্ঞা করেছেন।

ব্রিটেনের শিল্পী সমাজ বলছে, লকডাউন অত্যান্ত কঠিন ছিল।

ওয়াল্ডো মিটারের তথ্যানুসারে, ব্রিটেনে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫৪ লাখ ৩৩ হাজার ৯৩৯ জন মানুষ। এই সময়ে মারা গেছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৭০৮ জন।



Related posts