ভ্যাকসিন আসার আগেই মারা যেতে পারে ২০ লাখ মানুষ, হু’র সতর্কতা 

করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের আগেই বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ২০ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এখনই…

আপনার আঙুলের নখ যেসব অসুখের লক্ষণ নির্দেশ করে 

কখনো কী ভেবেছেন আপনার আঙুলের হলুদ এবং ক্ষয়ে যাওয়া নখগুলো হতে পারে কঠিন সব রোগের উপসর্গ? হ্যাঁ, অবশ্যই আপনার আঙুলের…

ডোপ টেস্টে পজেটিভ হওয়ায় চাকরি হারাচ্ছেন ২৬ পুলিশ সদস্য 

ডোপ টেস্টে পজেটিভ হওয়ায় ২৬ পুলিশ সদস্য বরখাস্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

বিনোদন

কর ফাঁকির অভিযোগে এ আর রহমানকে উকিল নোটিস 

কর ফাঁকির অভিযোগে এ আর রহমানকে উকিল নোটিস

কর ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে বিখ্যাত সংগীত পরিচালক এ আর রহমানের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে উকিল নোটিস পাঠিয়েছে ভারতের মাদ্রাজ হাই কোর্ট। ৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকার কর ফাঁকির অভিযোগ আনা হয়েছে এ আর রহমানের বিরুদ্ধে।

ভারতের গণমাধ্যমগুলো জানায়, আয়কর অধিদপ্তরের অভিযোগ, অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এ আর রহমান ২০১১-২০১২ আর্থিক বছরের মধ্যে এই কর ফাঁকি দিয়েছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই রহমানকে নোটিস পাঠাল মাদ্রাজ হাই কোর্ট।

অভিযোগ বলা হয়েছে, ২০১১ সালে লিব্রা মোবাইলস নামে এক ব্রিটেনের কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি বদ্ধ হনন এ আর রহমান। তিন বছরের জন্য চুক্তিটি করেছিলেন তিনি। শর্ত ছিল সেই সময়ের মধ্যে কোম্পানির জন্য রিং টোন তৈরি করবেন। ৩ কোটি ৪৭ লাখ টাকা পারিশ্রমিক বাবদ নিয়েছিলেন এ আর রহমান। তবে কর ফাঁকি দেয়ার জন্য পারিশ্রমিক নিজের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে নেননি তিনি। তার বদলে এ আর রহমান ফাউন্ডেশন নামে চ্যারিটি ট্রাস্টের অ্যাকাউন্টে নেন।

আয়কর দপ্তরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, একজন ব্যক্তি নিজের পারিশ্রমিকের অর্থ শুধুমাত্র ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টেই নিতে পারেন। কোননো চ্যারিটেবল ট্রাস্টের অ্যাকাউন্টে নয়। ব্যক্তিগত অ্যাকউন্টে কর কাটানোর পর সেই অর্থ তিনি চ্যারিটেবল ট্রাস্টকে দান করতেই পারেন। কিন্তু রহমান তা করেননি।

এর জেরেই মাদ্রাজ হাই কোর্টে এ আর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানো হয়। মামলাটি বিচারপতি টি এস শিবাগনানম এবং ভি ভাবনানি সুব্বারোয়ানের বেঞ্চে উঠলে তারাই রহমানের বিরুদ্ধে নোটিস জারি করেন।

এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে এ আর রহমানকে সেন্ট্রাল এক্সাইজ এবং জিএসটির জরিমানা মিলিয়ে ৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিল আয়কর অধিদপ্তর। সেই নির্দেশে সাময়িকভাবে স্থগিতাদেশ জারি করেছিল মাদ্রাজ হাই কোর্ট।



Related posts