ভ্যাকসিন আসার আগেই মারা যেতে পারে ২০ লাখ মানুষ, হু’র সতর্কতা 

করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের আগেই বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ২০ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এখনই…

আপনার আঙুলের নখ যেসব অসুখের লক্ষণ নির্দেশ করে 

কখনো কী ভেবেছেন আপনার আঙুলের হলুদ এবং ক্ষয়ে যাওয়া নখগুলো হতে পারে কঠিন সব রোগের উপসর্গ? হ্যাঁ, অবশ্যই আপনার আঙুলের…

ডোপ টেস্টে পজেটিভ হওয়ায় চাকরি হারাচ্ছেন ২৬ পুলিশ সদস্য 

ডোপ টেস্টে পজেটিভ হওয়ায় ২৬ পুলিশ সদস্য বরখাস্তের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

বিশেষ

কেন পরিত্যক্ত বিশ্বের এই ২০টি গা ছমছমে জায়গা? 

কেন পরিত্যক্ত বিশ্বের এই ২০টি গা ছমছমে জায়গা?

অনেক বছর ধরে পরিত্যক্ত বিশ্বের ২০টি জায়গা (World’s 20 haunted place)। বর্তমানে যেগুলো ভূতুড়ে জায়গা হিসেবে পরিচিত। সম্প্রতি কানাডা ভিত্তিক ভিডিও নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়াচ মোজোর পোস্ট করা একটা ভিডিওতে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

জানা গেছে, এই ভূতুড়ে জায়গার কয়েকটি পর্যটন কেন্দ্র, কয়েকটি অত্যন্ত প্রত্যন্ত। দেখে নিন তেমন ১০টি জায়গা। এদের মধ্যে কোনটা আপনি ঘুরতে যাবেন, সেই তালিকাও বানিয়ে রাখুন।

ওরফিয়াম থিয়েটার
টাইটানিকের সলিল সমাধির দিন খুলেছিল। ১৯৫০ সালে বন্ধ হয় তার জায়গা।

আকারমারা
আবখাজিয়া শহরে স্থাপিত। ১৯৯০ থেকে পরিত্যক্ত এই জায়গা। এলাকায় জনমানবহীন ধসে পড়া বাড়ি।

ক্রাকো
দক্ষিণ ইতালিতে অবস্থিত। বিংশ শতাব্দীর শেষে একাধিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর ক্রমশ পরিত্যক্ত এই এলাকা।

হোটেল ডেল সাল্টো
১৯২৩ সালে পথ চলা শুরু কলম্বিয়াতে। এরপর একাধিক আত্মহত্যা ও অস্বাভাবিক মৃত্যু। প্রচলিত এই হোটেলে অশরীরীদের বাস। তাই ১৯৯০ সালে বন্ধ করা হয় হোটেলটি।

পোভেগলিয়া দ্বীপ
ইতালির এই ছোট দ্বীপ প্লেগ রোগীদের কোয়ারান্টাইন সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সেই থেকে গুঞ্জন এই দ্বীপে অশরীরীদের আনাগোনা আছে। অনেক হরর ছবিতে দৃশ্যায়িত হয়েছে এই দ্বীপ।

মৌনসেল ফোর্ট
টেমস নদীর মধ্যে থেকে ওঠা এই স্থাপত্য ১৯৫০ সালে ভেঙে ফেলা হয়।

বডি
যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসের ‘ভূতের শহর’ বডি এখন জাতীয় সংগ্রহ স্মারক।

আরল সি কবরস্থান
কাজাখস্তান আর উজবেকিস্তানের মধ্যে অবস্থিত এই কবরস্থান আরল সমুদ্রতটের গা ঘেঁষে।

ভ্যালি অফ মিলস
ইতালির ভ্যালি অফ মিলস একটা পরিত্যক্ত গমকল। অদ্ভূত দর্শন পাথরের এই স্থাপত্য দেখলে আপনার গা ছমছম করবেই।

আনিভা লাইটহাউস
১৯৩৯ সালে জাপানিরা এই লাইটহাউস তৈরি করেন। শাখালিন উপকূলে তৈরি এই লাইটহাউস। এই লাইটহাউস এখন রুশ সরকারের সম্পত্তি। শুধু মাত্র পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা।

বাকী ১০টির মধ্যে রয়েছে ক্যারিবীয় অঞ্চলের মন্টসেরাট দ্বীপ, সাইপ্রাসের ভূতুরে শহর ভারসা, নামিবিয়ার ভূতুরে শহর কোলামানস্কপ, চীনের পানির নিচের অতিপ্রাকৃত শহর শিচেং, জাপানের গুনকানজিমা যা হাশিমা দ্বীপ নামে পরিচিত, বেলজিয়ামের এক সময়ের সর্ববৃহৎ টাওয়ার দি আইএম কুলিং টাওয়ার, কিয়েভ মেট্রো টানেল, জার্মানির বেলতিস হেইলস্টাটেন, অস্ট্রেলিয়ার ধ্বংসপ্রাপ্ত জাহাজ দি এসএস আয়ারফিল্ড, ইউক্রেনের ভূতুরে শহর প্রিপায়াত।



Related posts