স্কুল-কলেজ দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব স্কুল ও কলেজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। …

দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত 

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আজ শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত…

আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে বাংলাদেশের ৩ জন 

টি-টোয়েন্টির পর বর্ষসেরা ওয়ানডে দল প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। যেখানে জায়গায় পেয়েছেন বাংলাদেশের ৩ ক্রিকেটার। অলরাউন্ডার সাকিব আল…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

লাইফ

খাই খাই অভ্যাস থেকে রক্ষা পাবেন যেভাবে 

খাই খাই অভ্যাস থেকে রক্ষা পাবেন যেভাবে

মাঝে মধ্যেই খিদে পাচ্ছে? সবসময় কেমন যেন একটা খাই খাই ভাব? এমন লক্ষণ কিন্তু মোটেও শরীরের পক্ষে ভালো নয়। বরং চিন্তার কারন। অতিরিক্ত খাই খাই ভাব মানেই কিছু হরমোনের অস্বাভাবিক ক্ষরণ। রক্তে চিনির পরিমাণ কমে গেলে কিংবা শরীরে পানির অভাব দেখা দিলে খিদে খিদে ভাব বেড়ে যায়।

দুশ্চিন্তা আমাদের শরীরে স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল নিঃসরণ করে। এই হরমোনই আমাদের খেতে আগ্রহী করে তোলে। দুশ্চিন্তা না কমা পর্যন্ত এই হরমোন নির্গমন বন্ধ হয় না। এর প্রেক্ষিতে আমাদের চর্বি এবং চিনিতে ভরপুর খাবার খেতেই বেশি ইচ্ছে করে। যার ফলে শরীরে জমে বাড়তি মেদ।

চিকিত্‍সা বিজ্ঞানে রক্তে চিনির মাত্রা কমে যাওয়া মানে হাইপোগ্লাইসেমিয়া। মূলত সত্যিকারের হাইপোগ্লাইসেমিয়া ডায়াবেটিস রোগীদেরই হয়। ডায়াবেটিস রোগী ছাড়াও সাধারণের রক্তে চিনির পরিমাণ ওঠানামা করতে পারে। মাথা ঘোরা, ক্লান্তি,ঘাম, বমি বমি ভাব হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ। হাইপোগ্লাইসেমিয়াতেও ক্ষিদের পরিমাণ বাড়ে। অনেক সময় মন খারাপ বা হতাশা থেকেও ক্ষিদে বেড়ে যায়। খাবারের মোট ক্যালোরির ২৫ শতাংশ প্রোটিন থেকে এলে ভুলভাল খাবার খাওয়ার প্রবণতা প্রায় ৬০ শতাংশ কমে যায়। কাজেই দিনের প্রতিটি খাবারের সঙ্গে পর্যাপ্ত প্রোটিন যেন থাকে, এটি খেয়াল রাখতে হবে।

করোনা মৌসুমে খাওয়াদাওয়ায় খুব বেশি মাত্রায় নিয়ন্ত্রণ না থাকলে মুশকিল। কিন্তু যাদের খাই খাই ভাব বেশি, তারা তা করে উঠতে পারেন না। গৃহবন্দি থাকার ফলে একঘেয়েমি থেকেও খাওয়া বেড়ে গিয়েছে। ফাস্ট ফুড-জাঙ্ক ফুড খেয়ে ওজন বাড়িয়ে ফেলেন। কমে যায় রোগ প্রতিরোধক্ষমতা। এর ফলে বিপদ বাড়ছে। কী ভাবে এই বিপদ কাটানো যায় আসুন দেখে নেওয়া যাক।

• চুইং গাম মুখে রাখলে মিষ্টি এবং নোনতা খাবারের আসক্তি কিছুটা কমে বলছে গবেষণা। তবে তা যেন সুগার–ফ্রি হয়। না হলে ক্যালোরি বেড়ে গিয়ে সমস্যা আসবে। শরীরে পানির ঘাটতি না হলে খাই খাই ভাব একটু কমই হয়। কাজেই দিনে কম করে আড়াই–তিন লিটার পানি খান। অল্প করে, বারে বারে।

• ঘুম কম হলে ভাজা বা মিষ্টি খাবারের প্রতি আসক্তি বাড়তে পারে। কাজেই ভাল করে ঘুমোনোর চেষ্টা করুন। কখনও যদি কম ঘুমের ক্লান্তি গ্রাস করে চিনি ছাড়া কালো চা বা কফি খান দু–এক কাপ।

• মানসিক চাপ বাড়লে গ্লুকোজসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা হয়। তবে তার স্থায়িত্ব থাকে ৩–৫ মিনিট। সে সময় আড্ডায়-কাজে কাটিয়ে দিতে পারলে বিপদ কমে যায়।

• চিপসের বদলে খান স্বাস্থ্যকর কাজু, চিনেবাদাম বা আখরোট। তাতে মন না ভরলে অল্প করে পপকর্ন খেতে পারেন।

• চকলেট আসক্তি মাত্রা ছাড়ালে ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ অ্যামন্ড খেয়ে দেখুন। কাজ না হলে মিল্ক চকোলেটের বদলে খান ৭০ শতাংশ কোকাসমৃদ্ধ ডার্ক চকলেট।

• ক্যান্ডি বা পেস্ট্রির বদলে খান ফল। কিসমিস বা খেজুর খেলেও কাজ হবে।



Related posts