হেফাজত নেতা মামুনুল হক গ্রেপ্তার 

হেফাজতে ইসলামের নেতা কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ রোববার বেলা ১২ টার…

লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ছে? 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক থাকায় চলমান ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে সরকার। লকডাউন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে এ বিষয়ে…

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ: দেশে নতুন দরিদ্র্য ১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ 

করোনা প্রাদুর্ভাবের পর থেকে দেশের প্রত্যেকটি খাত চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান করোনার ধাক্কা সামাল দিতে না পেরে এরই মধ্যে…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

লাইফ

ঠাণ্ডা লাগলে বাচ্চাদের যে খাবার একেবারেই খেতে দেবেন না 

ঠাণ্ডা লাগলে বাচ্চাদের যে খাবার একেবারেই খেতে দেবেন না

শীত চলে এলো। দিনে বেশ গরম পড়লেও রাতে ঠিকই টের পাওয়া যায় শীতের আমেজ। মৌসুম পরিবর্তন হওয়ায় শরীরেও তার প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে, নানা রকম ঠাণ্ডাজনিত অসুখে পড়ছে মানুষজন। করোনাকালীন সময়ে ঠাণ্ডা থেকে বেঁচে থাকাটা এখন বেশ জরুরী।

সাধারণত এই সময় বাচ্চাদের বেশি ঠান্ডা লাগে। তাই সাবধান থাকা আবশ্যক। সবেচেয়ে বেশি খেয়াল রাখবেন খাবারের ক্ষেত্রে। কারণ তার উপরেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও সুস্বাস্থ্য নির্ভর করে। ঠান্ডা লাগলে শিশুকে কয়েকটি খাবার একেবারেই দেবেন না।

১) মাংস: ঠান্ডা লাগলে শিশুকে যত কম মাংস খেতে দেবেন, ততই ভাল। মাটন, চিকেন বা গরু- কোনওরকম মাংসই নয়। কারণ মাংসে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে যাতে গলার ভিতরে মিউকাসের সৃষ্টি হতে পারে। এতে শিশুর অস্বস্তি বাড়বে। আর ভবিষ্যতে অসুস্থতা বাড়তে পারে। অর্গ্যানিক মিট কিংবা মাছ বেশি করে খাওয়াতে পারেন।

২) মিষ্টি জাতীয় খাদ্য: চকোলেট, ক্যান্ডি, মিষ্টি আপনার শিশুর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। বিশেষ করে ঠান্ডার সময়। বেশি মিষ্টতা রক্তে হোয়াইট ব্লাড সেলস তৈরির গতি কমিয়ে দেয়। এর ফলে শিশুর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। খুব সহজেই সংক্রমণ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৩) প্যাকেটজাত খাদ্য: অত্যাধুনিক শপিং কমপ্লেক্সের সৌজন্যে এখন বাঙালির ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছে ফ্রেঞ্চ ফ্রাইজ, নাগেটস, সসেজের মতো রেডিমেড প্যাকেটজাত খাবার। শিশু যত এই ধরনের খাবার বেশি খাবে ততই গলায় মিউকাস তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে এবং লালা গাঢ় হতে থাকবে।

৪) দুগ্ধজাত খাবার: দুধ এমনিতে উপকারী কিন্তু সবার ক্ষেত্রে নয়, আর সবসময় নয়। শীতের সময় শিশুর খাবারে চিজ, ক্রিম বন্ধ করে দিন। তেমন হলে দুধের পরিমাণও কমিয়ে দিন। মরশুমের শাকসবজি ও ফল খাওয়ান বেশি করে। বিশেষ করে এমন খাবার যাতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’ রয়েছে। এতে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।



Related posts