লেন্স গলে চোখই হারাতে বসেছিলেন নায়িকা 

দিন দিন বেড়েই চলছে কন্টাক্ট লেন্সের ব্যবহার। বিশেষ করে তরুণীরা খুবই আগ্রহী চোখ আকর্ষণীয় করে তোলার এই অনুষঙ্গে। অনেক নায়িকা-মডেলও…

ফেশিয়াল রিকগনিশনে ৬৫ কোটি ডলার খসছে ফেসবুকের 

ফেসবুকের ফেশিয়াল রিকগনিশন বিষয়ে ক্লাস অ্যাকশন মামলা ৬৫ কোটি মার্কিন ডলারে মীমাংসার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন মার্কিন ফেডারেল বিচারক। দুই পক্ষের…

নতুন দল নয়, নির্বাচনী লড়াইয়ের ঘোষণা ট্রাম্পের 

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে নতুন রাজনৈতিক দল খোলার পরিকল্পনা নেই বলে…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

লাইফ

প্রেমের ক্ষেত্রে দুজনের বয়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিত? 

প্রেমের ক্ষেত্রে দুজনের বয়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিত?

বোঝাপড়াকে বলা হয় সম্পর্কের মূলমন্ত্র। দুটি মানুষের বোঝাপড়া যদি ভাল থাকে তাহলে কোনো বাধাই সম্পর্কে ফাটল ধরাতে পারে না। তা দুটি মানুষের বয়সের ব্যবধান যত বেশিই হোক না কেন। আর যদি বোঝাপড়া ভাল না হয় তাহলে ছোটখাটো কারণেও সম্পর্ক নষ্ট হয়। সেক্ষেত্রে বয়সও বাড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

ছেলে আর মেয়ের বয়সের ব্যবধান নিয়ে সমাজে এখনও নানারকম ট্যাবু রয়েছে। কোনো মেয়ে যেমন তার থেকে বয়সে বড় কোনো ছেলেকে বিয়ে করলে কটাক্ষের মুখে পড়ে তেমনই আবার ছেলের বয়স খুব বেশি হলেও বিদ্রুপের শিকার হতে হয় মেয়েটিকে। অর্থাৎ সমস্যা সব দিক থেকেই। তাই বলে কি অসমবয়সী প্রেম হয় না? এর অনেক উদাহরণ কিন্তু রয়েছে। এর জন্য তাদের যে নানারকম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয় না তা নয়। কিন্তু সে সব বাদ দিয়েও তারা পুরোদমে সুখে ঘর সংসার করছেন। তাই এমন প্রেমের ক্ষেত্রে যে যে বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন-

প্রথমে প্রশ্ন করুন নিজের মনকেই। এই সম্পর্কে আপনি রাজি কিনা! কতটা খুশি সম্পর্কে থেকে। সেই সঙ্গে মাথায় রাখতে হবে বন্ধুত্ব এক বিষয়। আবার প্রেম সম্পূর্ণ অন্য বিষয়। যদি সম্পর্ক নিয়ে ভবিষ্যৎ কোনো পরিকল্পনা করে থাকেন তাহলে একবার অবশ্যই ভেবে দেখুন। আপনার এই সিদ্ধান্তে পরিবারের কতটা সমর্থন রয়েছে। কাছের মানুষদের পাশে পাবেন কিনা।

সম্পর্ক নিয়ে এগোতে চাইলে বা নিজে কোনো রকম সিদ্ধান্ত নিলে তা আগে কাছের বন্ধুদের জানান। তাদের সঙ্গে আলোচনা করুন। তাদের মতামতও নিন। আপনার সঙ্গী আপনার বন্ধুদের সঙ্গে কতটা সহজ হতে পারছেন তা দেখার জন্য একসঙ্গে শপিং করতে যান। ঘুরতে যান। এতে পরিবারের অন্যরাও সহজে আপনাদের সম্পর্ক মেনে নিতে পারবেন।

সঙ্গীর আগের সম্পর্ক কেমন ছিল, কেনই বা সেই সম্পর্ক থেকে তিনি বেরিয়ে আসলেন এই বিষয়ে বিষদে কথা বলুন। তার নতুন করে সম্পর্কে যেতে কোনো আপত্তি আছে কিনা সেই বিষয়টিও জানুন। এছাড়াও আর্থিক নিরাপত্তা, চাকরি এসব দেখে নিন।

মানসিকভাবে আপনি আপনার থেকে প্রায় ১২ বছরের বড় কোনো ছেলেকে বিয়ে করতে প্রস্তুত তো? সেই প্রশ্ন নিজেকে করুন। কারণ স্বামী বয়সে যদি একটু বেশিই বড় হন তাহলে সন্তান নেয়ার ভাবনা আগেই করতে হয়। আবার সঙ্গী হয়তো সন্তান নাও চাইতে পারেন। এদিকে আপনার বন্ধুরা সমবয়সীকে বিয়ে করেছেন বলে তাদের জীবনযাত্রা আবার অন্যরকম। এই সব কিছু পরবর্তীতে একটা মানসিক চাপ তৈরি করে।

প্রেমে বয়সের ফারাক বেশি হলে প্রতিবেশী থেকে বন্ধুরা ঠাট্টার ছলে নানা কথা বলতে পারেন। সমালোচনাই বেশি আসবে এমনটা ধরে নিয়েই চলুন। নানা রকম বাঁকা কথা মন্তব্য আপনাকে শুনতে হতে পারে। আর তাই কীভাবে উত্তর দেবেন কিংবা কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করবেন তা নিজেকে ঠিক করতে হবে।



Related posts