লেন্স গলে চোখই হারাতে বসেছিলেন নায়িকা 

দিন দিন বেড়েই চলছে কন্টাক্ট লেন্সের ব্যবহার। বিশেষ করে তরুণীরা খুবই আগ্রহী চোখ আকর্ষণীয় করে তোলার এই অনুষঙ্গে। অনেক নায়িকা-মডেলও…

ফেশিয়াল রিকগনিশনে ৬৫ কোটি ডলার খসছে ফেসবুকের 

ফেসবুকের ফেশিয়াল রিকগনিশন বিষয়ে ক্লাস অ্যাকশন মামলা ৬৫ কোটি মার্কিন ডলারে মীমাংসার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন মার্কিন ফেডারেল বিচারক। দুই পক্ষের…

নতুন দল নয়, নির্বাচনী লড়াইয়ের ঘোষণা ট্রাম্পের 

২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে নতুন রাজনৈতিক দল খোলার পরিকল্পনা নেই বলে…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

টেক

ফেসবুক নিয়ে কঠোর অবস্থানে অস্ট্রেলিয়া 

ফেসবুক নিয়ে কঠোর অবস্থানে অস্ট্রেলিয়া

সংবাদ কনটেন্ট দেখাতে সংবাদমাধ্যমকে অর্থ দিতে হবে গুগল এবং ফেসবুকের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে, সম্প্রতি এমন এক নীতিমালার প্রস্তাবনা করেছে অস্ট্রেলিয়া। নীতিমালার বিরুদ্ধে মৌখিক প্রতিবাদ জানিয়েছে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রতিবাদের মুখেও দেশটির এক জেষ্ঠ্য আইনপ্রণেতা দাবি করেছেন, অস্ট্রেলিয়া নীতিমালা বদলাবে না।

নীতিমালার বিরুদ্ধে জোর প্রতিবাদ জানিয়ে গত সপ্তাহেই দেশটিতে সব সংবাদ কনটেন্ট এবং বেশ কিছু সরকারি ও জরুরি বিভাগের অ্যাকাউন্ট ব্লক করেছে ফেইসবুক।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, সোমবার সিনেটে নতুন এই বিল নিয়ে আলোচনা হবে। তবে, দেশটির উচ্চ কক্ষের জেষ্ঠ্যতম আইনপ্রণেতা দাবি করেছেন, নীতিমালায় আর কোনো পরিবর্তন করা হবে না।

দেশটির অর্থ মন্ত্রী সিমন বার্মিংহাম বলেছেন, ‘বিল যেভাবে আছে, সঠিক ভারসাম্য বজায় রাখছে।’

বার্মিংহাম আরও বলেছেন, বর্তমান কাঠামোয় বিলটি নিশ্চিত করছে, ‘অস্ট্রেলিয়ার সংবাদ সংস্থার তৈরি অস্ট্রেলিয়ান সংবাদ কনটেন্টের অর্থ পাওয়া উচিত এবং এটি ন্যায্য ও বৈধ উপায়ে করতে হবে।’

ব্যক্তিগত দর কষাকষি ব্যর্থ হলে কনটেন্ট লাইসেন্সিং ফি নির্ধারণ করতে একজন বিচারক নিয়োগ দিতে সরকারকে ক্ষমতা দেবে এই আইন।

ফেসবুক ও গুগল বলে আসছিল, প্রস্তাবিত ওই আইন ইন্টারনেটের মৌলিক ধারণার সঙ্গেই সাংঘর্ষিক। অস্ট্রেলিয়া সরকার অন্যায্যভাবে তাদের ‘শাস্তির মুখে’ ফেলছে।

সেই অবস্থান থেকে কিছুটা নমনীয় হয়ে গুগল রুপার্ট মার্ডকের নিউজ কর্পোরেশনকে লাভের ভাগ দিতে সম্মত হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মাথায় ফেসবুক দেশটিতে নিউজ কনটেন্ট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।

সোমবার বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি ফেসবুকের এক প্রতিনিধি।

গত সপ্তাহেই অস্ট্রেলিয়ার নিম্ন কক্ষে পাস হয়েছে আইনটি এবং সিনেটে বেশিরভাগ সমর্থন পেয়েছে।



Related posts