ইংরেজি শেখাতে বিনামূল্যে কোর্স নেবে মার্কিন দূতাবাস 

যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি নয়, এমন মানুষের জন্য ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধি ও গণমাধ্যম সম্পর্কে জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য বিনা মূল্যে অনলাইন…

বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ নেবে সৌদি আরব-ভারত, নেপাল 

বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ কেনার ব্যাপারে প্রকাশ করেছে সৌদি আরব, ভারত, নেপাল ও ভুটান। আনুষ্ঠানিকভাবে ভুটান ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য প্রস্তাব…

প্রথম দেশ হিসেবে কৃত্রিম মাংস ব্যবহারের অনুমতি দিলো সিঙ্গাপুর 

প্রথম দেশ হিসেবে কৃত্রিম মাংস ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে সিঙ্গাপুর। গবেষণাগারে কৃত্রিম উপায়ে তৈরি মাংস খাওয়ার অনুমতি দেওয়ার ঘটনা বিশ্বে এটাই…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

লাইফ

বায়ুদূষণে বাড়তে পারে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা 

বায়ুদূষণে বাড়তে পারে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা

করোনা লকডাউনের কারণে টানা কয়েকমাস রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বন্ধ ছিলো যান চলাচল, ঘোরেনি শিল্পকারখানার চাকা। মন্দের বিপরীত হিসেবে অন্য এক চিত্র তখন সবার চোখে পড়েছিলো, দূষণ কম হওয়ায় নিজেকে নতুন সাজে সাজানোর সময় পেয়েছিলো প্রকৃতি।

তবে লকডাউন শিথিল হতেই বেড়েছে জনসমাগম, আবারও খুলেছে শিল্পকারখানা। চলাচল বেড়েছে যানবাহনের। সঙ্গে বেড়েছে পরিবেশন দূষণও। আর দূষণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে তৈরি হচ্ছে করোনায় মৃত্যুর শঙ্কাও!

দূষণের কারণে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা কী বাড়বে? এমন প্রশ্নে এখনও কোনও প্রামাণ্য তথ্য বা রিপোর্ট না থাকলেও দেখা গিয়েছে উত্তর ইতালির মতো যে সব জায়গায় দূষণের মাত্রা অনেক বেশি, সেখানে করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হারও বেশি!

বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা, বায়ুদূষণের কারণে মানুষের শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা এবং কার্ডিওভাস্কুলার সংক্রান্ত সমস্যা এমনিতেই বেড়ে যায়, ফলে তাদের সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেক বেশি। ২০০৩ সালে সার্স সংক্রমণের সময়েও দূষিত শহরগুলির ক্ষেত্রে সার্সের প্রকোপ অনেক বেশি দেখা গিয়েছিল। আর সেই পূর্ব অভিজ্ঞতাকে সম্বল করেই চলছে কোভিড-১৯ মোকাবিলার প্রস্তুতি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জনস্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা মারিয়া নেইরার ভাষ্যমতে, ‘দূষণের সঙ্গে মৃত্যুর হার বাড়ার হাতে গরম কোনও প্রমাণ আমরা এখনও পাইনি। তবে, যে সব দেশ বা অঞ্চলে দূষণের মাত্রা বেশি, সেখানে সংক্রমণের খবর এলে খারাপ পরিস্থিতির জন্য তৈরি থাকার পরামর্শ আমরা দিচ্ছি। কারণ, দূষণ বেশি হলে করোনা সংক্রমণের মৃত্যুর সম্ভাবনা বেড়ে যায়।’

সরাসরি প্রমাণ পাওয়া না গেলেও কোভিড-১৯ সংক্রমণে বায়ুদূষণ তিন ভাবে প্রভাব ফেলতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রথমত, দূষিত বায়ু ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রকে দুর্বল করে দেয় বলে করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াইয়ের ক্ষমতা কমে যায়। দ্বিতীয়ত, দূষণ ফুসফুসকে দুর্বল করে রাখে বলে সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি। তৃতীয়ত, লকডাউন ওঠার পর দূষণ ফের বাড়লে বায়ুর দূষিতকণার সঙ্গে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে যায়। কারণ, ইতালিতে বায়ুর দূষণকণার মধ্যে বিজ্ঞানীরা করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পেয়েছেন!

তবে, লকডাউনের কারণে দূষণ কমায় দূষণজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যু যে কমেছে, তা এক কথায় মেনে নিচ্ছেন গবেষকরা। ৩২৪টি শহরকে নিয়ে নিউ ইয়র্কের করা একটি সমীক্ষা বলছে, চীনের বায়ুদূষণের কারণেই সেখানে করোনাভাইরাস এতটা প্রকট রূপ ধারণ করেছিল। লকডাউনের কারণে এই দূষণ কমায় চীনে দূষণজনিত কারণে মৃত্যু ২৫ শতাংশ কমেছে। কিন্তু লকডাউন ওঠার পর দূষণ ফের বাড়লে কী হবে? আবারও ফিরে আসবে করোনার ভয়াবহ রূপ? সেটাই এখন ভাবাচ্ছে গবেষকদের। বাংলাদেশের জন্যও কিন্তু এ এক অশনিসংকেত!



Related posts