তারকাদের উপস্থিতিতেই ৯৩তম অস্কার 

করোনার কারণে বাতিল হয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠান। এর মধ্যে শঙ্কা জেগেছে ৯৩তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস অর্থাৎ অস্কার কি তাহলে ভার্চুয়ালি আয়োজন করতে…

‘স্মার্টফোনে দীর্ঘ সময় ব্যয়ে মানসিক ক্ষতি নেই’ 

স্মার্টফোন হয়ে উঠেছে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ। কাজের জন্যই দীর্ঘসময় ব্যয় করতে হয় স্মার্টফোনে। আবার বিনোদনেরও একটি বড় মাধ্যম এই স্মার্টফোন।…

ইংরেজি শেখাতে বিনামূল্যে কোর্স নেবে মার্কিন দূতাবাস 

যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি নয়, এমন মানুষের জন্য ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধি ও গণমাধ্যম সম্পর্কে জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য বিনা মূল্যে অনলাইন…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

বিশ্ব

বিদ্রোহী সেনাদের হাতে গ্রেপ্তার মালির প্রেসিডেন্ট, পদত্যাগে বাধ্য 

বিদ্রোহী সেনাদের হাতে গ্রেপ্তার মালির প্রেসিডেন্ট, পদত্যাগে বাধ্য

বিদ্রোহী সেনাদের হাতে গ্রেপ্তারের পর পদত্যাগে বাধ্য হলেন মালির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বুবাকারা কেইতা। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া বক্তব্যে দেশটির সরকার ও পার্লামেন্ট ভেঙে দেয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। রক্তপাত এড়াতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা জানিয়েছেন কেইতা।

এছাড়াও বিদ্রোহীদের হাতে বন্দি আছেন মালির প্রধানমন্ত্রী বোবো সিসে।

মালির স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে কাতি সামরিক ঘাঁটিতে গুলি ছোড়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় সেনা অভ্যুত্থান। ঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর রাজধানী বামাকোতে ফিরে প্রেসিডেন্টের বাসভবনে যায় বিদ্রোহী সেনারা। আটক করা হয় প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীকে। প্রেসিডেন্টের ছেলে, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদেরও আটক করে তারা। তাদেরকে নেয়া হয় বামাকোর একটি সামরিক ক্যাম্পে।

সেনা অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন কাতি ঘাঁটির ডেপুটি কমান্ডার কর্নেল মারিক ডিয়াউ এবং জেনারেল সাদিও কামারা। তবে কতোজন সেনা এতে অংশ নিয়েছে তা এখনো পরিষ্কার নয়। বিবিসি জানায়, সন্ত্রাসীদের সাথে দীর্ঘস্থায়ী বিরোধ এবং বেতনভাতা নিয়ে সেনাদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল।

আটকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পদত্যাগের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম বুবাকারা কেইতা। একইসাথে সরকার ও পার্লামেন্ট ভেঙে দেন তিনি।

ইব্রাহিম বুবাকারা কেইতা বলেন, আমি চাই না আমাকে ক্ষমতায় রাখার জন্য কোনরকম রক্তপাত হোক। যদি আজ আমাদের সেনাবাহিনীর একটি অংশ নিজেদের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে আমার ক্ষমতার সমাপ্তি টানতে চায়, তাহলে আমার সামনে কি আর কোন বিকল্প আছে? গত কয়েকদিন যে অস্থিরতা ছিল এবং যারা প্রাণ হারিয়েছে তাদের প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাই। আমি এমনটা কখনই চাইনি। সেটা এদেশের সবাই জানে।

মালিতে সেনা অভ্যুত্থানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আফ্রিকান ইউনিয়ন, দ্য কমিউনিটি অব ওয়েস্ট আফ্রিকান স্টেটস ইকোওয়াস এবং ফ্রান্স।

২০১৮ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসা প্রেসিডেন্ট কেইতার পদত্যাগের দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই মালিতে বিক্ষোভ চলছে। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থতার অভিযোগে আন্দোলন করছিলেন সাধারণ মানুষ।



Related posts