ওজন কমাতে চান? খেয়াল রাখুন বিষয়গুলো… 

বর্তমান বিশ্বে সবাই এখন স্বাস্থ্য সচেতন। সবাই চান নিজের ওজনকে আয়ত্বের মাঝে রাখতে। বয়স ১৮ হোক কিংবা ৬০, ওজন কমানোই…

গণহারে ছাঁটাইয়ের পথে ভারতের টিকটক কর্মীরা 

চীনা শর্ট ভিডিও-শেয়ারিং অ্যাপ টিকটককে পাকাপাকিভাবে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। যার ফলে খাদের কিনারায় এদেশে ওই সংস্থায় কর্মরত…

করোনায় মৃত্যুর দায় নিজের কাঁধে নিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী 

,নতুন করে সংক্রমণ বেড়েছে ব্রিটেনে। বাড়ছে মৃত্যুর মিছিলও। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটিতে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়েছে এক লাখ৷ এ সমস্ত মৃত্যু…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

খেলা

বিনা পয়সায় এমন নাচ! 

বিনা পয়সায় এমন নাচ!

আমেরিকার সর্বোচ্চ খেলা। সুপার বোলকে আমেরিকান ফুটবল বলে। ন্যাশনাল ফুটবল লিগের (এনএফএল) মৌসুমের শেষ ম্যাচটিই সুপার বোল। শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচ নিয়ে প্রতিবারই উত্তেজনা ছড়ায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যস্ত থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম ছিল না।

২ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার মিয়ামি গার্ডেনের হার্ড রক স্টেডিয়ামে হয় ‘সুপার বোল হাফটাইম শো’। এতে মূল পরিবেশনা ছিল লাতিন আমেরিকার দুই সংগীত তারকা জেনিফার লোপেজ ও শাকিরার। এবারই প্রথম এ দুজন একসঙ্গে মঞ্চে উঠেন। দেখান চোখধাঁধানো নাচ ও গানের পরিবেশনা। ৩ ফেব্রুয়ারি ১৪ মিনিটের পরিবেশনাটি ওঠে ইউটিউবে। যেটা ৭ কোটিবারের মতো দেখা হয়ে গেছে। ইউটিউবে ওঠার পর থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ইউটিউব ট্রেন্ডিং তালিকার ১ নম্বরে উঠে যায় ভিডিওটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে #সুপারবোল২০২০ ‘ট্রেন্ড’ করতে শুরু করে তখন থেকেই।

তিন ধাপে মোট ২০টি গানের সংকলন পরিবেশন করেন শাকিরা ও জেনিফার লোপজ। শাকিরা নিজের জনপ্রিয় ‘ওয়াকা ওয়াকা’, ‘হিপস ডোন্ট লাই’, ‘হোয়েনএভার হোয়ারএভার’ যেমন গেয়েছেন, তেমনই গেয়েছেন লেড জ্যাপলিনের ‘কাশ্মীর’, কার্ডি বি’র ‘আই লাইক ইট’।

অন্যদিকে জেলোও (জেনিফারের ডাক নাম) নিজের সেরা গানগুলো নিয়ে উঠেছিলেন মঞ্চে, দেখিয়েছেন পোল ডান্স আর কণ্ঠ মিলিয়েছেন নিজের মেয়ে এমার সঙ্গে। এত এত চমক মঞ্চে দেখার পর দর্শক আবার নতুন করে জেলো ও শাকিরাকে নিয়ে মেতে ওঠেন। এই পরিবেশনা প্রচারের পরপরই তাঁদের গানগুলোর বিক্রি বেড়ে যায়। বিলবোর্ড সাময়িকী জানায়, প্রতিটি গানের ডাউনলোড প্রায় ৫ গুণ পর্যন্ত বেড়ে গেছে।

কতো পারিশ্রমিক নেন তারা?

কিন্তু এই তথ্যের সঙ্গে আরেকটি প্রশ্ন ইন্টারনেটে ঘোরাফেরা শুরু করে। দুই তারকা এই ইভেন্ট থেকে কত অর্থ উপার্জন করেছেন? উত্তরটি হতবাক করার মতোই..$ 0। এই পরিবেশনার জন্য শাকিরা ও জেনিফার কেউই পারিশ্রমিক নেননি। কেন নেননি?

ইতিহাস ঘেটে দেখা যাচ্ছে, সুপার বোলের হাফটাইম পারফরম্যান্সের জন্য কেউ অর্থ পান না। লেডি গাগা থেকে মেরুন ৫ পর্যন্ত কোনোও শিল্পীই এই শো থেকে উপার্জন করতে পারেননি। এই ইভেন্ট আমেরিকা জুড়ে কয়েক মিলিয়ন লোক দেখে, পর্দায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকে। সেই বিবেচনায় বিষয়টি বেশ অদ্ভুত বলেই মনে হয়। তাহলে শিল্পীরা কেন এই ইভেন্টে অংশ নেন?

ফোর্বস জানাচ্ছে, আমেরিকার ন্যাশনাল ফুটবল লিগ (এনএফএল) তাদের অনুষ্ঠানের জন্য কোনো পারফর্মারকেই অর্থ প্রদান করে না। পরিবর্তে কোনো স্পন্সর না নিয়ে লীগ নিজেই পারফরম্যান্সের জন্য অর্থ প্রদান করে, প্রযোজনা ব্যয় বহন করে এবং শিল্পীদের তাদের শোতে ব্যয় করার জন্য নিখরচায় কাজে লাগিয়ে দেয়। তবে শিল্পীরা এটা পছন্দ করেন। সহ ড্যান্সার থেকে শিল্পীদের পোশাক পর্যন্ত সবই ব্যবস্থা করে এনএফএল।

কীভাবে চলে এই অনুষ্ঠান?

এই সমস্ত বিষয় বিবেচনা করে এটি প্রত্যেকের প্রশ্ন যে, সংগীতজ্ঞরা কেন আনন্দের সাথে অনুষ্ঠানটি সম্পাদন করতে স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা নেন। আসলে কোনো উপার্জন না থাকা সত্ত্বেও শিল্পীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বড় এই ইভেন্টে পারফর্ম করে যাচ্ছেন। তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গিটি এনএফএল নিজেই যত্ন নিয়েছে। শিল্পীরা মনে করেন, পরেরবার কেউ আপনাকে ‘এক্সপোজার’ এর জন্য কাজ করতে বলবে, তারা নিশ্চিত হয়ে যান যে সব জায়গায়তেই তাদের এই উদাহরণ টানা হবে। এভাবেই মানুষ কাজ করে!

শাকিরা এবং জেএলও উভয়েরই জন্য পারফরম্যান্সটি বিভিন্নভাবে লাভজনক ছিল। এই শোয়ের ১২ ঘন্টার মধ্যে দু’জনেই অনলাইনে কমপক্ষে দুই মিলিয়ন অনুগামী অর্জন করেন, তাদের নাম গুগল অনুসন্ধানে ছড়িয়ে পড়ে। তাদের ট্র্যাকের অনুসন্ধান গড়ে ২২০০% দ্বারা বেড়ে যায়।



Related posts