লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ছে? 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক থাকায় চলমান ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে সরকার। লকডাউন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে এ বিষয়ে…

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ: দেশে নতুন দরিদ্র্য ১ কোটি ৬৪ লাখ মানুষ 

করোনা প্রাদুর্ভাবের পর থেকে দেশের প্রত্যেকটি খাত চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক প্রতিষ্ঠান করোনার ধাক্কা সামাল দিতে না পেরে এরই মধ্যে…

‘করোনা মূলত বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায়’ 

নভেল করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯-এর জন্য দায়ী সার্স-কোভ-২ ভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় না বলে এতদিন দাবি করে আসা হয়েছে। কিন্তু…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

বিশ্ব

ভারতে করোনার দুটি ভ্যাকসিন অনুমোদন 

ভারতে করোনার দুটি ভ্যাকসিন অনুমোদন

ভারতে জরুরি ব্যবহারের চূড়ান্ত অনুমোদন পেল অক্সফোর্ডের করোনা টিকা। সেইসাথে ভারতের তৈরি কোভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদনও দিয়েছে দেশটির ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ড্রাগ কন্ট্রোল জেনারেল অব ইন্ডিয়া-ডিসিজিআই। রোববার সকালে সাংবাদিক বৈঠকে ডিসিজিআই-এর পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে।

সাংবাদিক বৈঠকে ড্রাগ কনট্রোলার জেনারেল ভিজি সোমানি জানান, দু’টি টিকাই নিরাপদ। নিয়ন্ত্রিত জরুরি প্রয়োগের জন্য এই দু’টি টিকাকে অনুমোদন দেয়া হল।

এই ঘোষণার পরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর টুইটে বলেন, দেশের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এটি। দেশকে কোভিড মুক্ত করতে এই পদক্ষেপ খুব জরুরি ছিল। ধন্যবাদ সব গবেষক ও বিজ্ঞানীদের। নোভেল করোনাভাইরাসের নতুন প্রকারভেদ স্ট্রেনকে ঘিরে এই মুহূর্তে যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, তাতে ভারতের সুস্থতার হারও যথেষ্ট সন্তোষজনক। তার মধ্যে এই খবর নিঃসন্দেহে আশা জাগাবে। মনে করা হচ্ছে, এর ফলে দ্রুত শুরু হবে টিকাকরণ।

অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার পর ভারত বায়োটেকের করোনা টিকাকে শনিবারই ছাড়পত্র দিয়েছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তৈরি বিশেষজ্ঞ প্যানেল। এর পরই মনে করা হচ্ছিল, এই দুই টিকাকে চূড়ান্ত ছাড়পত্র দেবে ভারতের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিসিজিআই। রোববার ঠিক সেটিই হলো।

হায়দরাবাদের টিকা নির্মাতা সংস্থা ভারত বায়োটেকের কোভ্যাকসিন প্রথম থেকেই আশাপ্রদ ফল করেছিল। পরীক্ষামূলক প্রয়োগেও আশাব্যঞ্জক ফল দেখা গিয়েছিল। বিশেষজ্ঞ প্যানেলের পক্ষ থেকে তাই ‘নিয়ন্ত্রিত জরুরি ব্যবহার’-এর জন্য এই টিকাকে ছাড়পত্র-র সুপারিশ করা হয়। শনিবার বিকেলে ডিজিসিআই-এর কাছে টিকা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জমা করে ভারত বায়োটেক।

ভারত বায়োটেকের আবেদন বিশ্লেষণ করার সময় বিশেষজ্ঞ প্যানেল আলোচনা করে দেখেছে, ভারত বায়োটেকের পক্ষ থেকে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল দেশে চলছে ২৫ হাজার ৮০০ জনের উপর। যার মধ্যে ২৩ হাজার মানুষকে টিকা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন কো-মর্বিডিটি যুক্ত মানুষেরাও। যাদের উপর প্রয়োগ করে বোঝা গিয়েছে, এটি নিরাপদ। কিন্তু এই টিকা কতটা কার্যকর, সেটা সম্পূর্ণ বুঝতে আরও কিছুটা সময় লাগবে।



Related posts