‘স্মার্টফোনে দীর্ঘ সময় ব্যয়ে মানসিক ক্ষতি নেই’ 

স্মার্টফোন হয়ে উঠেছে প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ। কাজের জন্যই দীর্ঘসময় ব্যয় করতে হয় স্মার্টফোনে। আবার বিনোদনেরও একটি বড় মাধ্যম এই স্মার্টফোন।…

ইংরেজি শেখাতে বিনামূল্যে কোর্স নেবে মার্কিন দূতাবাস 

যাদের মাতৃভাষা ইংরেজি নয়, এমন মানুষের জন্য ইংরেজি ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধি ও গণমাধ্যম সম্পর্কে জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য বিনা মূল্যে অনলাইন…

বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ নেবে সৌদি আরব-ভারত, নেপাল 

বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ কেনার ব্যাপারে প্রকাশ করেছে সৌদি আরব, ভারত, নেপাল ও ভুটান। আনুষ্ঠানিকভাবে ভুটান ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য প্রস্তাব…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

বিশেষ

যে ৫টি দেশে কোনো বিমানবন্দরই নেই! 

যে ৫টি দেশে কোনো বিমানবন্দরই নেই!

যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির কারণে পৃথিবী এখন বিশ্বগ্রামে পরিণত হয়েছে। মানুষ এখন চাইলেই এক দেশ থেকে অনায়াশে অন্য দেশে চলে যেতে পারেন। আর এই যোগাযোগের অন্যতম বাহন হলো উড়োজাহাজ। উড়োজাহাজ এখন মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে অনেক সহজ করে তুলেছে। কিন্তু অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, বিশ্বের পাঁচটি দেশে বিমানবন্দরই নেই। ভারতের সংবাদ মাধ্যম বাংলাদেশ প্রতিদিন বিমানবন্দরবিহীন এই পাঁচ দেশের কথা তুলে ধরেছে।

মূলত আয়তনে ছোট হওয়ার কারণে এসব দেশে বিমানবন্দর নেই। ছোট হওয়ার কারণে ওই দেশগুলোতে বিমান ওঠানামার কোনো সুযোগও নেই।

মোনাকো:‌ পশ্চিম ইউরোপের ছোট এই দেশটি ফ্রান্স এবং ইতালির মাঝে অবস্থিত। এটি বিশ্বের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ। এটির সীমানা মাত্র ৬ কিলোমিটার। দেশটিতে বাস করেন মাত্র ৪০ হাজার মানুষ। নাগরিকদের মধ্যে অনেকেই ধনী হলেও এখানে একটিও বিমানবন্দর নেই। বিমানে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা পার্শ্ববর্তী ফ্রান্সের নিস বিমানবন্দর। মূলত ট্রেনই এখানকার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম ভরসা।

অ্যান্ডোরা:‌ আয়তনে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশগুলোর তালিকায় ১৬ নম্বরে রয়েছে অ্যান্ডোরার নাম। সবমিলিয়ে এখানে বাস ৮৫ হাজার মানুষের। তিনটি ব্যক্তিগত হেলিপ্যাড থাকলেও গোটা দেশে কোনো বিমানবন্দর নেই। নিকটবর্তী বিমানবন্দর ১২ কিলোমিটার দূরে স্পেনে অবস্থিত। তা সত্ত্বেও প্রতিবছর প্রচুর মানুষ আসেন এখানে।

লিচেনস্টেইন:‌ অস্ট্রিয়া এবং সুইৎজ্যারল্যান্ডের মধ্যে অবস্থিত ছোট্ট এই দেশটিতেও নেই কোনো বিমানবন্দর। গোটা দেশে বসবাস করেন মাত্র ৪০ হাজার মানুষ। একটি ব্যক্তিগত হেলিপ্যাড থাকলেও সাধারণ মানুষকে বিমানে যাতায়াত করতে ১২০ কিলোমিটার দূরে জুরিখ বিমানবন্দরে যেতে হয়। জায়গার অভাবেই এখানেও কোনো বিমানবন্দর তৈরি করা যায়নি। তবে এখানে প্রাচীন যুগের সভ্যতার অনেক নিদর্শনও পাওয়া যায়।

সান মারিনো:‌ পৃথিবীর প্রাচীনতম দেশটি পুরোটাই ইতালি দ্বারা ঘেরা। না নিজস্ব কোনো বন্দর না এয়ারপোর্ট রয়েছে দেশটির। পরিসীমা মাত্র ৪০ কিলোমিটার। যাতায়াতের জন্য সাধারণ মানুষকে নির্ভর করতে হয় ১৬ কিলোমিটার দূরের ইতালির রিমিনি বিমানবন্দরের উপর। এছাড়াও বোলোগনা, পিসা, ভেনিস শহরের বিমানবন্দরও এখান থেকে বেশি দূরে নয়।

ভ্যাটিকান সিটি:‌ বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ। মাত্র ৮০০ মানুষের বসবাস হলে কী হবে, প্রতি বছর প্রচুর মানুষ এখানে আসেন। আসলে এটি খ্রিষ্টানদের কাছে অন্যতম পবিত্র স্থান। এখানেই থাকেন পোপ ফ্রান্সিস। কিন্তু দেশটির নিজস্ব কোনো বিমানবন্দর নেই। আসলে ভ্যাটিকান রোমেরই মধ্যে অবস্থিত। তাই বিমানে যাতায়াতের জন্য পার্শ্ববর্তী বিমানবন্দরই ভরসা।



Related posts