সৌদিগামী বাংলাদেশিদের জন্য নতুন সুযোগ 

দেশে আটকে থাকা প্রবাসী শ্রমিকদের সৌদি আরবে ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে চলমান সংকট নিরসনে আগামী সোমবার পর্যন্ত সময় চেয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ…

করোনায় আক্রান্ত টাইগার পেসার রাহী 

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেসার আবু জায়েদ রাহী। তাকে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের একাডেমি ভবনে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এর…

ট্রাম্প বিরোধী ভুয়া পেজ মুছে দিলো ফেসবুক 

এশিয়ান এবং আমেরিকান রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ১৫৫টি চীনা অ্যাকাউন্ট ডিলিট করেছে ফেসবুক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জায়ান্ট প্রতিষ্ঠাটির পক্ষ থেকে জানানো…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

লাইফ

যে ৬টি সত্য পুরুষেরা সঙ্গীর কাছে লুকিয়ে থাকে! 

যে ৬টি সত্য পুরুষেরা সঙ্গীর কাছে লুকিয়ে থাকে!

একটি সম্পর্কে নারী এবং পরুষের মাঝে অনেককিছু হয়ে থাকে। এরমধ্যে বেশিরভাগ বিষয় ভালোবাসার মাধ্যমে নির্ধারিত হয় এবং যেটি দুজনের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখে। আবার অনেককিছু আছে যা নির্ভর করে দুজনের যোগাযোগের ওপর। বলা হয়ে থাকে সম্পর্কে নিজেদের মতবিরোধ এবং আবেগ নিয়ে নারীরা বেশি সোচ্চার, যেখানে পুরুষের প্রবণতা হলো এসব চেপে যাওয়া। তারা হয়তো সঙ্গীর সন্তুষ্টি কিংবা ভবিষ্যত দ্বন্দ্ব এড়াতে এমনটি করে থাকে।

যদিও মাঝে মাঝে তারা ভেতরের অনুভূতি সঙ্গীর কাছে প্রকাশের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। তবে ফিরে আসে নিজের নিরাপত্তাহীনতার কারণে বা নিজের পৌরুষ দেখানোর জন্য। এর বেশিরভাগই সামাজিক প্রত্যাশা দ্বারা সংজ্ঞায়িত করা উচিত যা পুরুষদের অবশ্যই পূরণ করা উচিত। এখানে এমন ৬টি বিষয় তুলো ধরা হলো যা সাধারণত পুরুষেরা তাদের সঙ্গীর কাছে লুকিয়ে থাকে।

অন্য নারীর প্রতি আকর্ষণ
অন্যতম আসল একটি সত্য যা পুরুষেরা সঙ্গীর কাছে লুকিয়ে থাকে তা হলো অন্য নারীর প্রতি আকর্ষণ। এটি হয়তো যেকোনো নারীর বিরক্তির কারণ হবে, তবে অন্য নারীর রূপ বা চেহারার প্রশংসা যেকোনো পুরুষের জন্য খুবই প্রাকৃতিক বিষয়। কিন্তু এটি এমন বিষয়ে যা পুরুষেরা সবসময়ই সঙ্গীর কাছে গোপন রাখে। এটিকে বলতে হবে সঙ্গীর সঙ্গে ভুলবোঝাবুঝি এড়ানো বা নিজেদের সম্পর্কের অবনতি রোধে পুরুষের চেষ্টা।

সঙ্গীর প্রতি বিরক্তি
মাঝে মাঝে এমনকি নিজেদের মধ্যে ব্যাপক বালোবাসা থাকা সত্ত্বেও সঙ্গীর প্রতি বিরক্তি আসতে পারে। যখন সঙ্গী এই বিষয়টি উচ্চস্বরে বলতে থাকে তখন পুরুষেরা সেটি এড়িয়ে যায় এবং সঙ্গীকে খুশি করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়। তবে সবসময় যে এমন ঞয় তা নয়, এর ব্যতিক্রমও আছে।

আর্থিক অযোগ্যতা
পুরুষকে বলা হয়ে তাকে বাড়ির রুটিওয়ালা। ‘দি ম্যান অব দ্যা হাউজও’ বলা যেতে পারে। সমাজের দেয়া এই ভূমিকার কারণে পুরুষকে সবসময় আর্থিক অনিশ্চয়তার এবং কর্মে অযোগ্যতার চাপ নিতে হয়। পুরুষকে একসময় এই অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যেতেই হয়। তারা এটি সঙ্গীর কাছে লুকিয়ে থাকে, কারণ হয়তো তারা নিজেদের দুর্বলতা প্রকাশ করতে চায় না।

যৌন অক্ষমতা
যৌন অভিজ্ঞতার অভাব বা যেকোনো ধরনের শারীরিক ঘনিষ্টতা পুরুষের গর্বের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। এটি সত্য হয়ে থাকলেও পুরুষেরা সঙ্গীর কাছে তা লুকিয়ে তাকে।

অভ্যন্তরীণ কোন্দল
অনেক সশয়ই আমরা আশা করি পুরুষের তেজদীপ্ত হয়ে উঠবে এবং তারা এমন মানুষ হয়ে উঠবে ঠিক যা তাই। কিন্তু আমরা এটি বুঝতে চাই না যে তারাও আবেগীয় সমস্যায় ভোগে এবং তা থেকে মুক্তি চায়। যাই হোক, সামাজিক অবস্থা তাদের গভীর ভয় এবং দুর্বলতা প্রকাশে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। যতক্ষণ পর্যন্ত সঙ্গীর প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস না আসে ততক্ষণ তারা তা নিজের ভেতরে চেপে রাখারই চেষ্টা করে।

পৌরুষতান্ত্রিক প্রত্যাশা পূরণ করতে করতে ক্লান্ত
অবিচ্ছিন্ন প্রয়োজন মেটানো ছাড়াও পুরুষকে শক্তিশালী, কঠোর এবং খ্যাতিমান হতে হয়, কিন্তু তারা কিছু ভোগ করতে পারে না। একটি সম্পর্কে যখন বেশিরভাগই সঙ্গীর সন্তুষ্টির জন্য, তখন অনেক পুরুষই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। সঙ্গীর কাছে নিজেকে শক্তিশালী এবং পৌরুষ দেখানোর পরিবর্তে নিজের দুর্বলতা দেখাতে চায়, কিন্তু সঙ্গীর বিচারিক ক্ষমতার কারণে তা প্রকাশে অনিশ্চিত বোধ করে তা চেপে যায় বা এড়িয়ে যায়।



Related posts