স্কুল-কলেজ দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী 

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব স্কুল ও কলেজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। …

দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত 

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের দেশের বিভিন্ন জায়গায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আজ শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) বিকেল ৪টা ১২ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত…

আইসিসির বর্ষসেরা ওয়ানডে দলে বাংলাদেশের ৩ জন 

টি-টোয়েন্টির পর বর্ষসেরা ওয়ানডে দল প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। যেখানে জায়গায় পেয়েছেন বাংলাদেশের ৩ ক্রিকেটার। অলরাউন্ডার সাকিব আল…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

চলমান

লকডাউন আরও ৭ দিন বাড়ছে? 

লকডাউন আরও ৭ দিন বাড়ছে?

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ৭ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। গত বৃহস্পতিবার (০১ জুলাই) ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া এই বিধিনিষেধ চলবে ৭ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত। তবে চলমান এই বিধিনিষেধ আরও ৭ দিন বাড়তে পারে। আবার ঈদের আগে পরিস্থিতি দেখে লকডাউন কিছুটা শিথিলও হতে পারে। আগামী বুধবারের (৭ জুলাই) মধ্যে এনিয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

আজ রোববার (৪ জুলাই) সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, চলমান লকডাউন আরও সাত দিন বাড়তে পারে। কারণ করোনা পরিস্থিতির এখনও কোনো উন্নতি হয়নি। মৃত্যুরও সংখ্যা একশোর বেশি হচ্ছে। তাই বিধিনিষিধের মেয়াদ বাড়ানোর দিকে যেতে পারে সরকার। এছাড়া সরকারের কাছে অন্য কোনো পথ খোলা নেই। শিগগিরই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এদিকে, লকডাউন আরও সাতদিন বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছেন কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সদস্য ডা. কাজী তারিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, করোনার যে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট তা অত্যন্ত ভয়ানক। এই ভ্যারিয়েন্ট শহর-গ্রাম সবখানে ছড়ায়। এই ভয়াবহতা থেকে মানুষকে বাঁচাতে লকডাউন আরও সাতদিন বাড়াতে হবে।

এর আগে গত ২৪ জুন জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সারা দেশে ১৪ দিনের ‘শাটডাউন’র সুপারিশ করা হয়।

বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও প্রায় প্রতিদিনই বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সরি। করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটিও যেন বাড়ছেই। আজ রবিবার দেশে করোনার ইতিহাসে একদিনে সর্বোচ্চ ১৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ৬৬১ জনের। মোট মারা গেছেন ১৫ হাজার ৬৫ জন। আর মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৯১৭ জন। এমন পরিস্থিতিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, করোনায় যে হারে মৃত্যু ও আক্রান্ত হচ্ছে, বিধিনিষেধ বাড়ানো ছাড়া সরকারের কাছে অন্য কোনো পথ খোলা নেই।



Related posts