২ ডোজ টিকা নিয়েও তৃতীয়বার করোনায় আক্রান্ত চিকিৎসক 

একবার, দুইবার নয়, তৃতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ভারতের এক চিকিৎসক। মুম্বাইয়ের ২৬ বছরের এই চিকিৎসক গত ১৩ মাসের মধ্যে তৃতীয়বার…

লকডাউন চলবে 

মহামারী করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে চলমান বিধিনিষেধ (লকডাউন) আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্তই বলবৎ থাকবে এবং আগামী ৭ আগস্ট থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ে করোনার…

দায়মুক্তি পাচ্ছেন না অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীরা 

সরকারি চাকরি আইনে ২০১৮ সালে সরকারি কর্মচারীদের নানাবিধ সুবিধা নিশ্চিত করেছে। তবে এর তিন বছর কাটতে না কাটতেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

চলমান

সারাদেশে ১৪ দিন সর্বাত্মক শাটডাউনের সুপারিশ 

সারাদেশে ১৪ দিন সর্বাত্মক শাটডাউনের সুপারিশ

করোনার ডেলটা প্রজাতির ভাইরাসের সামাজিক সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশে সর্বাত্মকভাবে ১৪ দিনের কঠোর শাটডাউনের সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

গতকাল বুধবার (২৩ জুন) জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৩৮তম সভায় আলোচনা শেষে এ সুপারিশ করা হয়। আর আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশে কোভিড-১৯ রােগের বিশেষ ডেল্টা ধরনের সামাজিক সংক্রমণ চিহ্নিত হয়েছে। ইতােমধ্যে এর প্রকোপ অনেক বেড়েছে। এ প্রজাতির জীবাণুর সংক্রমণ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে সারাদেশেই উচ্চ সংক্রমণ, ৫০টির বেশি জেলায় অতি উচ্চ সংক্রমণ লক্ষ্য করা গেছে। এটি প্রতিরােধে খণ্ড খণ্ডভাবে নেওয়া কর্মসূচির উপযােগিতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

অন্যান্য দেশ, বিশেষত পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের অভিজ্ঞতা হলো, কঠোর ব্যবস্থা ছাড়া এর বিস্তৃতি প্রতিরােধ করা সম্ভব নয়। ভারতের শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও এ বিষয়ে আলােচনা হয়েছে। তাদের মতামত অনুযায়ী, যে সব স্থানে পূর্ণ ‘শাটডাউন’ প্রয়ােগ করা হয়েছে সেখানে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে রােগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া এবং জনগণের জীবনের ক্ষতি প্রতিরােধের জন্য কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে সারাদেশে কমপক্ষে ১৪ দিন সম্পূর্ণ ‘শাটডাউন’ দেওয়ার সুপারিশ করছে।

জরুরি সেবা ছাড়া যানবাহন, অফিস-আদালতসহ সবকিছু বন্ধ রাখা প্রয়ােজন। এ ব্যবস্থা কঠোরভাবে পালন করতে না পারলে আমাদের যত প্রস্তুতিই থাকুক না কেন স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অপ্রতুল হয়ে পড়বে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন সংগ্রহের জন্য সর্বাত্মক উদ্যোগ নিয়েছেন। এজন্য সভায় তাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। এ রােগ থেকে পূর্ণ মুক্তির জন্য ৮০ শতাংশের ঊর্ধ্বে মানুষকে ভ্যাকসিন দেওয়া প্রয়ােজন। বিদেশ থেকে টিকা সংগ্রহ, লাইসেন্সের মাধ্যমে দেশে টিকা উৎপাদন করা এবং নিজস্ব টিকা তৈরির জন্য সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে গবেষণার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রচেষ্টার প্রতি কমিটি পূর্ণ সমর্থন জানায়।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে নানা বিধি-নিষেধ দেশে এখনও চলছে এবং সেটার মেয়াদ আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত করা হয়েছে। গত ১৬ জুন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হলে ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। দফায় দফায় বাড়িয়ে কয়েকবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও করোনা সংক্রমণের কারণে তা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। সবশেষ গত ১৩ জুন আরেকদফা বাড়িয়ে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।



Related posts