শিশুদের স্মার্টফোন আসক্তি
শিশুর স্মার্টফোনে আসক্তি কমবে যেভাবে 

তথ্যপ্রযুক্তির এ সময়ে স্মার্টফোন নিত্যপ্রয়োজনীয় অনুষঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনা মহামারির লকডাউনের সময়ে এর ব্যবহার বেড়েছে বহুগুণ। প্রায়ই দেখা যায়, অভিভাবকরা…

মেসি-দিবালা-লাওতারোদের ছাড়াই ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা 

মেসি-দিবালা-লাওতারোদের ছাড়াই ব্রাজিল-উরুগুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামার জন্য রাজি হয়ে গিয়েছে আর্জেন্টিনা। ব্রাজিল ছাড়াও আরেক লাতিন পরাশক্তি উরুগুয়ের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের…

ইন্টারনেটে নিপীড়ন
ইন্টারনেটে নিপীড়ন বা নির্যাতনের শিকার ৩০ শতাংশ শিশু 

৩০ শতাংশ শিশু করোনাকালে কোনও না কোনোভাবে ইন্টারনেটে নিপীড়ন বা নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ১২ শতাংশ শিশু এ বিষয়ে কোনও তথ্য…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

চলমান

স্থানীয়দের ঢিলে আহত মহাবিপন্ন উল্লুক উদ্ধার 

স্থানীয়দের ঢিলে আহত মহাবিপন্ন উল্লুক উদ্ধার

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাত মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ফূলবাড়ি এলাকা থেকে ৯টার দিকে আহত মহাবিপন্ন উল্লুক উদ্ধার করা হয়েছে। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে পশুটির চিকিৎসা চলছে।

বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল বলেন, ‘বিভাগীয় বন কর্মকর্তার মাধ্যমে সংবাদ পাই। গতরাতেই উল্লুকটি আমাদের কাছে চিকিৎসার জন্য দেওয়া হয়। ধারণা করছি, প্রাণীটি ফুলবাড়ির কোন একটি গাছে বিচরণ করছিল, সেসময় কিছু লোক ঢিল মারতে থাকলে এটি গাছ থেকে পড়ে মাথায় ও কোমরে মারাত্বক আঘাত পায়। মাথায় রক্তক্ষরণ হয়েছে। প্রাণীটির চিকিৎসা-পর্যবেক্ষণ চলছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘গতকাল থেকে উল্লুকটি আজ কিছুটা সুস্থ। তবে কোমরে বেশি ব্যথা পেয়েছে। প্রাণীটি কোমর তুলতে পারছে না। রাতে তার মাথায় জখম ছিল; রক্ত বের হচ্ছিলো। এখন তা পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে।’

স্থানীয়ভাবে উল্লুক নামে পরিচিত এই প্রাণী মহাদুর্লভ হয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ’মানুষের জন্যই আজ তাদের বসবাসের জায়গা বিনষ্ট হচ্ছে। তাদের চরম খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।’

মৌলভীবাজার বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান ও রেমা-কালেঙ্গা জাতীয় উদ্যানে বিভিন্ন প্রজাতির বানরের বসবাস। এর মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হলো উল্লুক। এক সময় ওই দুই বনে উল্লুকের দেখা যেত।’

‘সাধারণত উল্লুক রাতে গাছের উঁচু ডালে ঘুমায়। দিনের বেলা খোলা জায়গায় তেমন একটা না আসলেও বনের গভীরে গেলে চোখে পড়ে দল বেঁধে ৩/৪টি উল্লুক এক গাছ থেকে অন্য গাছে লাফালাফি করছে।’

‘সাতছড়িতে এক সময় অনেক উঁচু ও পুরনো গাছ ছিল। এগুলোতেই তারা আবাস গড়ত। খাবার হিসেবে ডুমুর, বটসহ বিভিন্ন ধরনের কাঁচা ফল খেত। এখন উঁচু গাছও কমে গেছে। পাকা ফলের গাছ নেই বললেই চলে। ফলে উল্লুকের সংখ্যা আশংকাজনক হারে কমে গেছে।’

ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উল্লুকের ওপর পিএইচডি করা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ফরিদ আহসান বলেন, ‘রেমা-কালেঙ্গা বন যে কোন সময় উল্লুক শূন্য হয়ে পড়বে। সাতছড়িতে এখনও কিছু আছে। ব্যাপকহারে বন ধ্বংসের জন্য এই প্রাণী আজ মহাবিপন্ন।’

‘উল্লুক সাধারণত মাটিতে নামে না’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘বনে খাদ্য ঘাটতি ও এক গাছ থেকে অন্য গাছের দুরত্ব বেড়ে যাওয়ায় এই প্রাণী যখন নিচে নেমে আসে তখন অনেকে এদের হত্যা করে।’



Related posts