যেকোনো মুহূর্তে সারাদেশ ‘শাটডাউনের’ ঘোষণা: প্রতিমন্ত্রী 

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছেন, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে গঠিত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ১৪ দিনের পূর্ণ ‘শাটডাউনের’ সুপারিশ সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা…

corona lockdown shibchar
সারাদেশে ১৪ দিন সর্বাত্মক শাটডাউনের সুপারিশ 

করোনার ডেলটা প্রজাতির ভাইরাসের সামাজিক সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশে সর্বাত্মকভাবে ১৪ দিনের কঠোর শাটডাউনের সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক…

অনলাইন শপিংয়ের জন্য নতুন ফিচার আনছে ফেসবুক 

শিগগিরই ই-কমার্স ও অনলাইন শপিংয়ের জন্য নতুন ফিচার নিয়ে আসবে ফেসবুক। গতকাল নিজের ওয়ালে দেয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

চলমান

১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক 

১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

আগামী ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব মেইল, লোকাল, কমিউটার ও আন্তঃনগর ট্রেন আবার স্বাভাবিকভাবে চলাচল শুরু হবে বলে রেল মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। যতদিন করোনার সংক্রমণ শেষ না হচ্ছে, ততদিন ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি হবে এবং স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি বন্ধ থাকবে।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গত ২৫ মার্চ দেশের সব যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিল রেল কর্তৃপক্ষ। পরে সরকারের নির্দেশনায় ৩১ মে থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত ৬০টি আন্তঃনগর ট্রেন চালু করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ৩৬টি ট্রেন চালু হয়েছে। ৫ সেপ্টেম্বর ৩৮টি ট্রেন চালু হচ্ছে। আর ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সবধরণের ট্রেন আবারও চলবে।

বাংলাদেশ রেলওয়েতে বর্তমানে ৩৬৪টি যাত্রীবাহী ট্রেন রয়েছে। যার মধ্যে ১০২টি আন্তঃনগর ট্রেন। সব আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট অনলাইনে এবং মেইল, লোকাল ও কমিউটার ট্রেনগুলোর টিকিট কাউন্টার থেকে দেয়া হবে।

রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, যাত্রার দিনসহ ১০ দিন আগে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর অগ্রিম টিকিট ইস্যু করা হবে। অনলাইন এবং মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বিক্রীত টিকিট ফেরত নেয়া হবে না। রেলে দীর্ঘদিন আন্তঃনগর ট্রেনের বিপরীতে স্ট্যান্ডিং টিকিট ইস্যু করা হতো। ৩১ মে স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি বন্ধ করা হয়। যতদিন করোনাভাইরাস সংক্রমণ শেষ না হচ্ছে, ততদিন ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি করা হবে এবং স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি বন্ধ থাকবে। রেলওয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি ও রেলওয়ের নির্দেশনা না মেনে স্টেশনে প্রবেশ ও ট্রেন ভ্রমণ করতে চাইলে যাত্রীদের জেল-জরিমানা পোহাতে হবে।

পরিবহন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে- লোকাল, মেইল ও কমিউটার ট্রেনেও নির্ধারিত আসন সংখ্যার অর্ধেক টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সবক’টি যাত্রীবাহী ট্রেন চালু হলেও আন্তঃনগর ট্রেনগুলোতে থাকছে না বালিশ-চাদর-তোয়ালে দেয়ার ব্যবস্থা।



Related posts