corona lockdown shibchar
সারাদেশে ১৪ দিন সর্বাত্মক শাটডাউনের সুপারিশ 

করোনার ডেলটা প্রজাতির ভাইরাসের সামাজিক সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশে সর্বাত্মকভাবে ১৪ দিনের কঠোর শাটডাউনের সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক…

অনলাইন শপিংয়ের জন্য নতুন ফিচার আনছে ফেসবুক 

শিগগিরই ই-কমার্স ও অনলাইন শপিংয়ের জন্য নতুন ফিচার নিয়ে আসবে ফেসবুক। গতকাল নিজের ওয়ালে দেয়া এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত…

ব্রাজিলের বিতর্কিত গোলে রাগে ফুসছে কলম্বিয়া 

কোপা আমেরিকায় জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে স্বাগতিক ব্রাজিল। গতকাল বুধবার (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত কোপা আমেরিকায় ব্রাজিল ২-১…

সব সংবাদ-তথ্য-ভিডিও

বিশ্ব

২০ বছর ‌পালিয়ে থেকেও রক্ষা হলো না এই নারীর 

২০ বছর ‌পালিয়ে থেকেও রক্ষা হলো না এই নারীর

সাত খুনের দায়ে বিচার হয়েছে প্রেমিকের। গ্রেপ্তারের ভয়ে নিজেও ২০ বছর পালিয়ে ছিলেন চীনের নারী লাও রংঝি। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। অবশেষে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে। সোমবার দক্ষিণ-পূর্ব চীনের একটি আদালতে বিচার শুরু হয়েছে ৪৬ বছরের ওই নারীর।

আদালতের বরাতে সিএনএন জানায়, ১৯৯৬ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত ফা ঝিয়াইং নামে একজনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল লাও রংঝির। কিন্তু ১৯৯৯ সালের জুলাই মাসে সাতজনকে খুনের অভিযোগে ফা’কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই বছরের ডিসেম্বরে আদালতে তার বিচারও হয়।

প্রেমিক ফা গ্রেপ্তারের পর থেকেই পলাতক লাও। গ্রেপ্তার এড়াতে বিভিন্ন সময় ছদ্মবেশ ধারণ করেছেন এই নারী। ঘুরেছেনে এক শহর থেকে আরেক শহর। বিভিন্ন বার ও বিনোদন কেন্দ্রে খণ্ডকালীন চাকরিও করেছেন তিনি। চেহারা পরিবর্তনের জন্য তিনি সার্জারিও করিয়েছেন বলে রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে।

এরপর কেটে যায় দীর্ঘদিন। অবশেষে গত বছরের নভেম্বরে জিয়ামেন শহরের একটি শপিংমল থেকে লাওকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তার বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি এবং অপহরণের অভিযোগ আনা হয়। অবশেষে সোমবার তাকে নানচাং ইন্টারমিডিয়েট পিপলস কোর্টে তোলা হয়।

আদালতে লাও খুনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। তিনি তার প্রেমিক ফায়ের ‘‘বলি’’ হয়েছেন বলে দাবি করেন। ফা তাকে জোর করে অপরাধে ‍সহযোগিতা করতে বাধ্য করতেন বলে আদালতে দাবি করেছেন তিনি।

তিনি জানান, ফায়ের পদ্ধতি ছিল খুই ‘‘নিষ্ঠুর’’। তার সাথে সম্পর্ক চলাকালে তিনি শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এছাড়া দুইবার তিনি গর্ভপাত করাতে বাধ্য হয়েছেন বলেও দাবি করেন।

আদালতে তিনি আরও জানান, গত দুই দশক ধরে তিনি অন্ধকারে বসবাস করেছেন। এখন তিনি ‘‘চূড়ান্তভাবে শান্তিতে ঘুমাতে’’ পারবেন বলে জানান। এছাড়া তাকে আর পুলিশের হাতে ধরা পড়ার ভয়ে থাকতে হবে না বলেও জানান।

লাও আদালতে ক্ষমা চাইলেও খুনের শিকার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তাকে ক্ষমা করা সম্ভব নয়। খুনের শিকার একজনের স্ত্রী ঝু ডাহোং বলেন, ‘দুই দশকের কষ্ট শুধু একটি ক্ষমা চাওয়ার মাধ্যমেই শেষ হয়ে যায় না।’



Related posts